Recipe: সন্ধ্যার স্নাক্সে রাখুন মাছের পাকোড়া, শিখেনিন বানানোর সেরা পদ্ধতি

বিকেলের নাস্তা? সে তো চাইই চাই এমন কিছু, যা মন ভরায়, মুখে রুচি আনে, আর পরিবারের সবাইকে একসঙ্গে বসে উপভোগ করার আনন্দ দেয়। এমনই এক অসাধারণ মুখরোচক পদ হলো ‘মাছের পাকোড়া’। বাইরেটা ক্রিসপি আর ভেতরটা নরম, সুস্বাদু এই পাকোড়া তৈরি করাও খুব সহজ। আর চায়ের সঙ্গে তো এর জুড়ি মেলা ভার! তাহলে দেরি না করে জেনে নিন, ছুটির দিনের বিকেলে কেমন করে বানিয়ে ফেলবেন জিভে জল আনা এই পদ।

উপকরণ:

যেকোনো বড় মাছ (কাঁটা ছাড়ানো কিমা): ২৫০ গ্রাম

পেঁয়াজ কুচি: ২টি (বড়)

আদা বাটা: ১ চা চামচ

রসুন বাটা: ১ চা চামচ

কাঁচা মরিচ কুচি: ১-২টি (নিজের স্বাদমতো)

বেসন: ১/২ কাপ

কর্ন ফ্লাওয়ার: ২ টেবিল চামচ

ডিমের কুসুম: ১টি (ইচ্ছামতো, এতে পাকোড়া নরম হবে)

ধনেপাতা কুচি: ২ টেবিল চামচ

জিরা গুঁড়া: ১/২ চা চামচ

মরিচ গুঁড়া: ১/২ চা চামচ

হলুদ গুঁড়া: ১/৪ চা চামচ

গরম মসলা গুঁড়া: ১/৪ চা চামচ

লবণ: স্বাদমতো

তেল: ভাজার জন্য পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালী:

১. প্রথমে মাছ সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ হয়ে গেলে মাছের কাঁটা ও চামড়া ভালোভাবে আলাদা করে নিন এবং মাছটিকে মিহি কিমা করে রাখুন। খেয়াল রাখবেন যেন কোনো কাঁটা না থাকে।

২. এবার একটি বড় পাত্রে মাছের কিমার সঙ্গে কুচি করা পেঁয়াজ, আদা বাটা, রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ কুচি, জিরা গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, গরম মসলা গুঁড়া এবং স্বাদমতো লবণ দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

৩. এই মিশ্রণে ডিমের কুসুম (যদি ব্যবহার করেন), বেসন এবং কর্ন ফ্লাওয়ার যোগ করুন। সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে এমনভাবে মেখে নিন যেন একটি মসৃণ ও ঘন মিশ্রণ তৈরি হয়।

৪. সবশেষে কুচানো ধনেপাতা মিশিয়ে দিন। এতে পাকোড়ার স্বাদ ও গন্ধ আরও সুঘ্রাণ হবে।

৫. এবার একটি কড়াইয়ে পরিমাণমতো তেল গরম করে নিন। তেল ভালোভাবে গরম হলে আঁচ মাঝারি করে দিন।

৬. হাতে সামান্য তেল লাগিয়ে মাখা মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট পাকোড়ার আকারে গড়ে নিন এবং গরম তেলে সাবধানে ছেড়ে দিন।

৭. মাঝারি আঁচে পাকোড়াগুলো সোনালি হওয়া পর্যন্ত ভাজুন। একপাশ ভাজা হয়ে গেলে উল্টে অন্যপাশ ভেজে নিন। খেয়াল রাখবেন যেন ভেতরে কাঁচা না থাকে এবং বাইরেটা মুচমুচে হয়।

৮. পাকোড়াগুলো ভাজা হয়ে গেলে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে টিস্যু পেপারের ওপর তুলে নিন।

গরম গরম মুচমুচে মাছের পাকোড়া আপনার পছন্দসই টমেটো সস, পুদিনা চাটনি বা তেঁতুলের চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন। ছুটির দিনের বিকেলের এই নাস্তা আপনার পারিবারিক আড্ডাকে আরও আনন্দময় করে তুলবে। আজই চেষ্টা করে দেখুন!