লিপস্টিকের মেয়াদ ফুরিয়েছে? চিনে নিন এই লক্ষণগুলি, এড়িয়ে চলুন বিপদ

নারীদের সাজসজ্জার অপরিহার্য অংশ হলো লিপস্টিক। তবে দীর্ঘদিনের ব্যবহারের ফলে অনেক সময় এর গায়ে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখের লেবেল মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অন্যান্য পণ্যের মতো এই প্রসাধনীর মেয়াদ শেষ হলেও বাহ্যিকভাবে তেমন পার্থক্য চোখে না পড়ায় অনেকেই অসচেতনভাবে সেটি ব্যবহার করতে থাকেন। তবে এই অভ্যাস অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

আনন্দবাজার পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে বুঝবেন আপনার লিপস্টিকের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে:

আর্দ্রতা হারানো: মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া লিপস্টিক ঠোঁটকে আর আগের মতো আর্দ্র রাখতে পারে না। ব্যবহারের সময় ঠোঁটের সাথে সহজে মিশে যেতেও চায় না।

গন্ধ পরিবর্তন: প্রতিটি লিপস্টিকের একটি নিজস্ব হালকা গন্ধ থাকে। মেয়াদ পেরিয়ে গেলে এই স্বাভাবিক গন্ধটি আর থাকে না, বরং একটি অদ্ভুত বা রাসায়নিক গন্ধ বের হতে পারে।

মেয়াদ মনে রাখুন: লিপস্টিকের প্যাকেজিং-এর গায়ে লেখা মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখটি অবশ্যই মনে রাখা উচিত। লেবেল মুছে গেলেও পুরনো লিপস্টিক ব্যবহার করা উচিত নয়। প্রয়োজনে তারিখের ছবি তুলে রাখতে পারেন।

মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিকের ঝুঁকি: মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া লিপস্টিকে ল্যানোলিনের সক্রিয়তা বাড়ে। ল্যানোলিনের শক্তিশালী শোষণ ক্ষমতা বাতাস থেকে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস টেনে নেয় এবং ঠোঁটে জমা করে। লিপস্টিক লাগিয়ে খাওয়ার সময় এই ক্ষতিকর জীবাণুগুলি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। এর ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।

তাই, আপনার সৌন্দর্য বজায় রাখার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য লিপস্টিক ব্যবহারের আগে অবশ্যই এর মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন এবং মেয়াদ পেরিয়ে গেলে তা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সামান্য অসচেতনতাও আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।