রান্নাঘরের ঘি এবার রূপচর্চার সঙ্গী! ত্বক ঝলমলে করার সহজ উপায়

রান্নাঘরের অতি পরিচিত উপাদান ঘি, যা খাবারের স্বাদ বাড়াতে আর সুস্বাস্থ্যের জন্য যুগ যুগ ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেটি যে আপনার রূপচর্চার ক্ষেত্রেও দারুণ উপকারী, তা কি জানতেন? নিরামিষাশীদের কাছে এটি একটি অপরিহার্য উপাদান হলেও, এখন থেকে আপনার বিউটি রুটিনেও ঘি-কে যোগ করতে পারেন।
চোখের নিচের কালি, বলিরেখা বা ত্বকের কালচে দাগ-ছোপ দূর করতে ঘি দারুণ কার্যকর। প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক ত্বকের যত্নে ঘি কীভাবে ব্যবহার করবেন।
ত্বকের পরিচর্যায় ঘি ব্যবহারের পদ্ধতি:
ঘি ব্যবহার করে আপনি ঘরে বসেই তৈরি করে নিতে পারেন দারুণ কিছু ফেস মাস্ক, যা আপনার ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করবে।
ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে:
দু’টেবিল চামচ ঘি, দু’টেবিল চামচ বেসন এবং এক টেবিল চামচ দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি আপনার সারা মুখ এবং গলায় ভালো করে লাগিয়ে শুকোতে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার এই ফেস মাস্ক ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষ দূর হবে, তৈলাক্ত ভাব কমবে এবং ব্রণও কমে যাবে।
বলিরেখা কমাতে ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে:
এক টেবিল চামচ ঘিয়ের সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি দিনে একবার ব্যবহার করা যেতে পারে। মধুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য ত্বকের বলিরেখা কমাতে দারুণ কাজ করে। মধু এবং ঘিয়ের এই ফেস মাস্ক আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতেও সাহায্য করবে।
চোখের নিচের কালি দূর করতে:
চোখের নিচের কালো কালি দূর করার জন্য এটি একটি সহজ ও কার্যকরী উপায়। দুই থেকে তিন ফোঁটা ঘি আপনার আঙুলে নিয়ে আলতো করে চোখের নিচে মালিশ করুন। এভাবেই সারা রাত রেখে দিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা জল দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ঘি ব্যবহার করলে চোখের নিচের অংশ নরম ও আর্দ্র হয় এবং ধীরে ধীরে কালো কালিও দূর হয়ে যায়।