ম্যাট আইশ্যাডোকে এক মিনিটে গ্লসি করবেন কীভাবে? ঠোঁটকে আকর্ষণীয় করতে লিপস্টিক দেওয়ার সহজ নিয়ম!

মেকআপের মাধ্যমে খুব দারুণভাবে নিজের সহজাত সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়। তবে মেকআপের কোনো ধাপে একটুও এদিক-ওদিক হলে, সুন্দর দেখানোর পরিবর্তে কিম্ভূতকিমাকার দেখাতে পারে। তাই স্বল্প মেকআপ ব্যবহার করা হলেও সেটা যেন হয় পারফেক্ট, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন।

মেকআপের পাঁচটি প্রয়োজনীয় টিপস নিচে দেওয়া হলো:

১. সঠিকভাবে কনট্যুর করা জানতে হবে:

  • কৌশল: কন্ট্যুর করা সবচেয়ে ট্রিকি ধাপ। পারফেক্টলি কন্ট্যুর করতে পারলে চেহারার আকার ও ভাঁজগুলো সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব।

  • হাইলাইটার (উজ্জ্বল রং): থুতনির মাঝের অংশ, নাকের মাঝের অংশ, কপালের মাঝের অংশের নিচের দিকে উজ্জ্বল ও হালকা রঙের হাইলাইটার ব্যবহার করতে হবে।

  • ব্রোঞ্জার (গাড় রং): কপালের দুই পাশ, থুতনির দুই পাশ, চোয়ালের নিচের অংশ ও নাকের দুই পাশে ত্বকের চাইতে গাড় রঙের ব্রোঞ্জার ব্যবহার করতে হবে।

২. মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশের ব্যবহার:

  • ব্লাশের ব্যবহার বেশ কৌশলপূর্ণ। নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করা না হলে চেহারায় রঙিনভাব ঠিকভাবে ফুটে ওঠে না।

  • গুরুত্ব: বিশেষত মুখের আকার ও আকৃতির উপর নির্ভর করে ব্লাশ কীভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। যেমন: গোলাকৃতির মুখে যেভাবে ব্লাশ দিতে হবে, চৌকোনা মুখে সেভাবে ব্লাশ দিলে মানাবে না। (তাই মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশ অ্যাপ্লাই করুন)।

৩. ভিন্নমাত্রায় আইশ্যাডো (ম্যাটকে গ্লসি করার কৌশল):

  • মেকআপের ট্রেন্ড প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। ম্যাট আইশ্যাডোর প্রচলন থাকলেও ইদানিং গ্লসি আইশ্যাডোর চল দেখা যাচ্ছে।

  • পদ্ধতি: নতুন গ্লসি আইশ্যাডো না কিনে, ম্যাট আইশ্যাডোর উপরে ব্রাশের সাহায্যে হালকাভাবে লিপবাম ম্যাসাজ করে নিলেই পছন্দসই গ্লসি আইশ্যাডো তৈরি হয়ে যাবে।

৪. কনসিলারের ত্রিভুজ (Dark Circle কভারেজ):

  • চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার জন্য কনসিলার ব্যবহারের বিকল্প নেই। তবে কনসিলার ভালোভাবে ব্লেন্ড ও প্রয়োগ না করা হলে দাগ রয়ে যায়।

  • কৌশল: চোখের নিচের পাতার লাইন বরাবর তিনকোনা কিংবা ত্রিভুজ আকৃতির রেখা এঁকে কনসিলার ব্যবহার করতে হবে। এভাবে কনসিলার ব্যবহারের ফলে চোখের কালো দাগ সম্পূর্ণভাবে কভারেজ দেওয়া সম্ভব হয়।

৫. ধীরেসুস্থে পারফেক্ট লিপস্টিক:

  • তাড়াহুড়ো করে লিপস্টিক না দিয়ে, কিছুটা সময় নিয়ে লিপলাইনার দিয়ে এঁকে তারপর লিপস্টিক দিন।

  • পদ্ধতি:

    • লিপলাইনার: লিপস্টিকের চাইতে এক শেড হালকা রঙের লিপলাইনার দিয়ে ঠোঁটের বর্ডার লাইন বরাবর এঁকে নিতে হবে।

    • বিভাজন: এরপর ঠোঁটে মাঝ বরাবর রেখা টেনে ঠোঁটকে চার ভাগ আঁকতে হবে। এরপর চারভাগের মাঝে আরও দুইটি করে লাইন টেনে মোট আট ভাগ করে নিতে হবে।

    • অ্যাপ্লিকেশন: এরপর লিপস্টিক ব্রাশের সাহায্যে কর্নার বরাবর ব্লেন্ড করে লাগিয়ে নিতে হবে। এভাবে লিপস্টিক ব্যবহারে ঠোঁটের সঠিক আকৃতি ফুটিয়ে তোলা যায় এবং ঠোঁটকে আকর্ষণীয় দেখায়।