মুখের মেদ বাড়াচ্ছে অস্বস্তি? রইল কিছু সহজ উপায়!

শরীরের বাড়তি মেদ যেমন সৌন্দর্যে বাধা সৃষ্টি করে, তেমনই মুখের মেদ বেড়ে গেলে তা দেখতে খুবই বেমানান লাগে। ফোলা গাল এবং থুতনির নিচের চর্বি (ডাবল চিন) অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে দেয়। তবে কিছু সহজ অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে এই বিরক্তিকর চর্বি কমানো সম্ভব। স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে মুখ ও থুতনির নিচে জমে থাকা বাড়তি চর্বি কমানোর কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো:
মুখের মেদ কমানোর সহজ কৌশল:
পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট ত্যাগ করুন: সাদা রুটি, সাদা ভাত, ময়দা, চিনি, সোডা এবং মিষ্টিতে থাকা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট অল্প আঁশযুক্ত এবং দেহে দ্রুত মেদ জমায়। তাই প্রক্রিয়াজাত কার্বোহাইড্রেটের বদলে শস্য-জাতীয় খাবার যেমন – লাল আটার রুটি, ঢেঁকি ছাঁটা চাল বা ব্রাউন রাইস বেছে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
লবণ গ্রহণ কমান: সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে দেহে ফোলাভাব বা ওয়াটার রিটেনশনের সমস্যা দেখা দেয়। প্রক্রিয়াজাত খাবারে লবণের পরিমাণ বেশি থাকে, যা শরীরে অতিরিক্ত জল ধরে রাখে এবং মুখে ফোলাভাব বাড়ায়। তাই কম লবণযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।
নিয়মিত মুখের ব্যায়াম করুন: মুখের চর্বি কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যায়াম রয়েছে। এই ব্যায়ামগুলো মুখের পেশিগুলোকে সুগঠিত করে এবং মুখের আকার সুন্দর রাখে। প্রতিদিন অন্তত ১০ সেকেন্ড জিহ্বার ব্যায়াম করুন। এতে গাল ও গলার পেশিতে টান পড়ে এবং বাড়তি মেদ ঝরে যায়। এর ফলে মুখের গঠন আরও স্লিম দেখায়।
কার্ডিও ব্যায়াম অপরিহার্য: প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ থেকে ৪০ মিনিট কার্ডিও ব্যায়াম করুন। দৌড়ানো, দ্রুত হাঁটা বা দড়ি লাফানোর মতো ব্যায়ামগুলো শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। এতে শরীরের সামগ্রিক চর্বি কমে এবং মুখের অতিরিক্ত ফোলাভাবও দূর হয়।
অ্যালকোহল পরিহার করুন: অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ শরীরে ফোলাভাব সৃষ্টি করে এবং মুখে চর্বি জমার অন্যতম কারণ। তাই অ্যালকোহল বাদ দেওয়া সবচেয়ে ভালো। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে দিনে এক গ্লাসের বেশি অ্যালকোহল গ্রহণ না করার চেষ্টা করুন।