পার্লারে যাওয়ার সময় নেই? এই ২ ম্যাজিক ওভারনাইট ফেস মাস্কে রাতারাতি ফিরিয়ে আনুন ত্বকের উজ্জ্বলতা!

হাজারো কাজের ব্যস্ততায় ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় পান না অনেকেই। অযত্ন, অবহেলায় ত্বকের উপর অসমান রঙ, র্যাশ, ব্রণ, রোদে পোড়াভাব ও ব্ল্যাকহেডসের মতো সমস্যার লক্ষণ দেখা দেওয়া শুরু করে। এই অবস্থায় ত্বকের যত্নের জন্য প্রয়োজন হয় ওভারনাইট ফেস মাস্কের। যেহেতু কেমিক্যালযুক্ত রেডিমেড পণ্য ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, তাই প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি ফেস মাস্ক ব্যবহার করাই শ্রেয়।
আজকের ফিচারে ২টি একেবারেই সহজ ওভারনাইট ফেস মাস্কের বিবরণ দেওয়া হলো:
১. ওটস ও মধুর ফেস মাস্ক (শুষ্ক ত্বকের জন্য):
ওটসে থাকে স্যাপোনিন্স (Saponins) নামক বিশেষ এক উপাদান, যা প্রাকৃতিক পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। এই মাস্কটি শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী।
উপকারিতা:
ওটস ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ত্বককে ব্রণমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান ত্বকের মরা চামড়া এবং শুষ্কভাব দূর করে।
শুধু মুখের ত্বক নয়, শুষ্ক হাঁটু, কনুই ও ঠোঁটের জন্যও এই মাস্ক ব্যবহার করা যাবে।
উপাদান ও পদ্ধতি:
এক টেবিল চামচ ওটসের গুঁড়া ও এক টেবিল চামচ মধু নিন।
দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে মিনিট দশেকের জন্য রেখে দিন, যেন ওটসের গুঁড়া একদম নরম হয়ে যায়।
এরপর মুখ ধুয়ে পুরো মুখে ভালোভাবে মিশ্রণটি মাখিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে।
২. টমেটো ও মধুর ফেস মাস্ক (ব্রণ ও রোদে পোড়া ত্বকের জন্য):
ত্বকের ক্ষেত্রে টমেটো অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট হিসেবে কাজ করে। ব্রণের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া ত্বকের জন্য এটি বিশেষ উপকারী।
উপকারিতা:
ত্বকের প্রাণের ভাব ফিরিয়ে আনতে এবং রোদে পোড়াভাব (Sun tan) দূর করতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার।
ব্রণ ও ব্ল্যাকহেডস কমাতে সাহায্য করে।
উপাদান ও পদ্ধতি:
মাঝারি সাইজের একটি টমেটোর পেস্ট ও দুই টেবিল চামচ দুধ প্রয়োজন হবে।
দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করতে হবে।
প্রথমবার মাস্ক শুকিয়ে গেলে তার উপরে আরও একবার মিশ্রণটি দিতে হবে। সেটাও শুকিয়ে আসলে আবারো দিতে হবে।
এইভাবে সম্পূর্ণ মিশ্রণ দেওয়া হয়ে গেলে পুরো রাত ফেস মাস্ক রেখে দিয়ে সকালে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।
বিশেষ টিপস: যেহেতু এই ফেস মাস্কগুলো রাতে ব্যবহারের জন্য, তাই রাতে বালিশের উপর বাড়তি পরিষ্কার কাপড় কিংবা তোয়ালে বিছিয়ে এরপর ঘুমাতে হবে।