ঠান্ডা কফি নয়, গরম কফিতে চুমুক দিন! বিজ্ঞানীরা কী বলছেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা ও এর কার্যকারিতা নিয়ে?

কফির চনমনে স্বাদ ও গন্ধ ভালোবাসেন না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। আপনি যদি গরম কফির পেয়ালায় চুমুক বসাতে ভালোবাসেন, তবে আপনার জন্য রয়েছে সুখবর।
গবেষকেরা বেশ কয়েকটি গবেষণা করে নানান তথ্যাদি বিশ্লেষণ করার পর জানিয়েছেন, ঠান্ডা কফির তুলনায় গরম কফিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের মাত্রা অনেক বেশি থাকে।
গরম কফি কেন বেশি উপকারী?
১. টাইট্রেবল অ্যাসিডের উৎপাদন:
ফিলাডেলফিয়া এন্ড থমাস জেফরসন ইউনিভার্সিটির রসায়নবীদগণ গবেষণা করে বের করেছেন যে, গরম কফি তৈরির প্রক্রিয়ার ফলে প্রচুর পরিমাণে টাইট্রেবল অ্যাসিড (Titratable acid) উৎপন্ন হয়।
উপকারিতা: এই অ্যাসিড পুরো শরীরে অক্সিজেন সরবরাহে উপকারী ভূমিকা পালন করে।
২. উপকারিতা স্তিমিত হওয়া:
অন্যদিকে, ঠান্ডা কফি তৈরি করার পদ্ধতি এবং এটি কম তাপমাত্রায় থাকার ফলে, কফির উপকারিতা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে যায়।
৩. পিএইচ (pH) মাত্রা বনাম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট:
প্রথমে গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, গরম কফি (অ্যামেরিকানো) ও কোল্ড কফির পিএইচ (pH) এর মাত্রা প্রায় সমান এবং উভয় পানীয়তেই প্রায় একই মাত্রায় অ্যাসিডিক ভাব বিদ্যমান।
দ্বিতীয় দফার ফলাফল: তবে পরবর্তীতে আরও বেশ কয়েকটি পরীক্ষার পর জানা যায়, কোল্ড কফির তুলনায় হট কফির উপকারিতার মাত্রা বেশি। কারণ এতে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও টাইট্রেবল অ্যাসিডের উপস্থিতি থাকে, যা গরম কফি পানের ফলেই পাওয়া সম্ভব।
নিজেকে চাঙ্গা ও সুস্থ রাখতে দিনের শুরুটা এক কাপ গরম কফি দিয়ে করতেই পারেন নিশ্চিন্তে।