কোন বয়সে বিয়ে করলে দীর্ঘজীবী হন পুরুষেরা? চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস গবেষকদের!

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভের আশায় মানুষ কত না কসরত করে থাকে। প্রতিদিনের সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং জীবনযাত্রার নানা নিয়মকানুন মেনে চলা যেন আধুনিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একটি নতুন ও চাঞ্চল্যকর গবেষণা প্রকাশ্যে এসেছে, যা শুনে বিবাহিত পুরুষদের মুখে হাসি ফুটতে বাধ্য। বিশ্বখ্যাত গবেষক ও চিকিৎসকদের দীর্ঘমেয়াদি সমীক্ষায় এক অভিনব তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে যে জীবনের একটি নির্দিষ্ট বয়সে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হলে পুরুষদের আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তাঁরা দীর্ঘজীবী হতে পারেন।
গবেষকদের মতে, মানুষের দীর্ঘায়ুর সঙ্গে তার মানসিক শান্তি ও সামাজিক নিরাপত্তার একটি গভীর যোগসূত্র রয়েছে। আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা এবং একাকীত্ব অনেক সময় পুরুষদের মানসিক অবসাদ ও দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার দিকে ঠেলে দেয়। কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক বয়সে বিয়ে করার ফলে পুরুষের জীবনে এক ধরনের মানসিক স্থায়িত্ব এবং দায়িত্ববোধ তৈরি হয়। সমীক্ষায় দেখা গেছে যে সমস্ত পুরুষ জীবনের ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, তাঁদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য অবিবাহিত পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল থাকে। এই বয়সে পরিপক্বতা আসার ফলে পারিবারিক ও সামাজিক সমর্থন ব্যবস্থা তাঁদের মানসিক চাপ কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে।
পাশাপাশি, চিকিৎসাবিজ্ঞান জানাচ্ছে যে বিবাহিত জীবন পার্টনারের যত্ন, নিয়মিত সুষম খাবার খাওয়া এবং খারাপ অভ্যাসগুলো থেকে দূরে থাকার সুযোগ করে দেয়। একা থাকার তুলনায় দম্পতি হিসেবে জীবনযাপন করলে হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। তাই গবেষকদের এই নতুন তত্ত্ব অনুযায়ী, পুরুষদের দীর্ঘায়ু অর্জনের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যেতে পারে যদি তারা সঠিক সময়ে জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করেন।