ওজন কমান ঘুমের মধ্যে কি শুনে অবাক তো জানুন কিভাবে? দেখেনিন এক ঝলকে

ওজন ঝরাতে হলে প্রয়োজন বাড়তি সময়ও। জিম বা শরীরচর্চার জন্য দিনের ব্যস্ত রুটিন থেকে বের করতে সময়।

আসলে আমরা ঘুমিয়ে থাকলেও ঘুমের মধ্যে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রতঙ্গ তাদের মতো কাজ চালিয়ে যায়। ফলে কিছু ক্যালোরিও খরচ হয়। তা ছাড়াও সারা রাত জুড়ে আপনার শরীরে বাড়তি জল শ্বাস-প্রশ্বাস এবং ঘামের মধ্যে দিয়ে খরচ হয়। তাই ‘ওয়াটার ওয়েট’ ঝরে যায়। সেই কারণেই সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে যদি ওজন মাপেন, তা হলে খানিকটা কম দেখাবে আপনার ওজন। এই সব কারণেই রাতের পর রাত ভাল ঘুম না হলে শুধু যে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাবে তা নয়, আপনার ওজনও বেড়ে যেতে পারে।

তবে রাতের শোয়ার আগে কিছু নিয়ম মানলে ভালো ঘুমের পাশাপাশি ওজনও কমানো সম্ভব। চলুন এবারে জেনে আসি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ওজন কমানোর কিছু কার্যকরি উপায়।

প্রথমত, যারা সন্ধ্যাবেলা শরীরচর্চা করেন, তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা রাতে কম ওঠা-নামা করে বলে দেখা গেছে। তাই আপনি যদি ওয়েট ট্রেনিং করেন, তা হলে তা সকালের বদলে সন্ধ্যাবেলা করতে পারেন। শরীরের বিপাক হার শরীরচর্চার পর ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বেশি থাকবে। তাই ঘুমের মধ্যেও শরীরে ক্যালোরি বেশি খরচ হবে।

ক্যাসেইন প্রোটিন এক ধরনের দুগ্ধজাত প্রোটিন, যা হজম হতে অনেকটা সময় নেয়। তাই রাতে যদি এই ধরনের কোনও প্রোটিন শেক খেতে পারেন, তা হলে সারা রাত ধরে আপনার হজম প্রক্রিয়া সচল থাকবে। ক্যালোরিও ঝরবে।

শরীরচর্চা করার পর যদি ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে পারেন, তা হলে শরীর থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড বেরিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আমাদের শরীরে ব্রাউন ফ্যাট পরিমাণে খুব কম থাকে। কিন্তু এটি সক্রিয় থাকলে শরীরের বিপাক হার বেড়ে অনেক ক্ষণ পর্যন্ত ক্যালোরি ঝরতে পারে। ৩০ সেকেন্ড যদি বরফ-ঠাণ্ডা জলে স্নান করতে পারেন, তা হলে শরীরের ব্রাউন ফ্যাট সক্রিয় হয়ে ঘুমের মধ্যেও ৪০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরাতে পারে।

গ্রিন টি শরীরের বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে। দিনে যদি ৩ কাপ চা খান, তার মধ্যে শেষ কাপটি ঘুমের আগে— তা হলে ঘুমের মধ্যে ৩.৫ শতাংশ বেশি ক্যালোরি ঝরতে পারে।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেন কি? যেই খাদ্যাভ্যাসে দিনে ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে বাকি ৮ ঘণ্টা খাওয়া যায়। এতে জমিয়ে রাখা সব সুগার শেষ হয়ে গিয়ে ফ্যাট ঝরিয়ে এনার্জি পায় শরীর। তাই ঘুমের মধ্যেও অনেকটা ক্যালোরি ঝরে।

Related Posts

© 2025 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy