একটি সুন্দর সম্পর্ক নষ্টকরে যাবার পর প্রাক্তন ফিরতে চাইলে ,আপনার যা যা করণীয় দেখেনিন

বর্তমান সঙ্গী, কখনও কখনও পরিস্থিতির চাপে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যায়। প্রেম কী ভাবে আসবে আর কী ভাবে চলে যাবে, সেই সূত্র আজও কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি। এক সময়ে যাঁর মেসেজে ঘুম না ভাঙলে দিনটাই পানসে হয়ে যেত, আজ সেই মাথাব্যথার কারণ। যাঁকে ঘিরে হাজারো স্বপ্ন পরিকল্পনা ছিল, তিনি এখন ধারেকাছে ঘেঁষলেই বিভীষিকা! এ ভাবেই বর্তমান সঙ্গী, এক দিন পরিস্থিতির চাপে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যায়। ফোন থেকে ফেসবুক সবেতেই সে তখন অবাঞ্ছিত। প্রাণে ধরে ব্লক করতে পারেন না হয়তো অনেকেই, কিন্তু আড্ডা বা গল্পেরও আর কোনও অবকাশ থাকে না।
কিন্তু সেই প্রাক্তনই যদি হঠাৎ আবার ফিরে আসতে চান! হয়তো এক দিন যিনি নিজে আপনাকে বেরিয়ে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়েছিলেন, তিনিই ফিরে আসতে চাইছেন। আপনি বিরক্ত হচ্ছেন, অথচ বুঝতে পারছেন না সেই পরিস্থিতি কী ভাবে সামাল দেবেন। তত দিনে নতুন সম্পর্কে চলে গেলে সমস্যা আরও একটু জটিল হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যায় বইকি!
কিন্তু তা বলে বিরক্ত হয়েও তো চুপ করে থাকা যায় না! এ ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন জেনে নিন। ভেঙে না পড়ে, বা ভয় না পেয়ে কৌশল অবলম্বন করেই সমাধান করুন সমস্যার।
১. আগে নিজে সতর্ক হোন। নিজের কাছে নিজের সৎ হওয়াটা প্রয়োজন। প্রাক্তনের প্রতি কি আজও একই রকম অনুভূতি রয়ে গিয়েছে? না কি তিনি কেবলই আপনার জীবনে এক জন পরিচিত ব্যক্তি! না কি তাঁকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে আপনি প্রস্তুত? নিজেকে প্রশ্ন করুন। সেই প্রাক্তনকেও প্রথম দিনেই বুঝিয়ে দিন তার জন্য আপনার জীবনে ঠিক কতটুকু জায়গা রয়েছে।
২. প্রাক্তন আপনার জীবনে প্রেমিক হয়ে ফিরে আসতে চাইছেন। আর আপনি তাঁকে বন্ধু ভাবছেন। এমন সমীকরণে কিন্তু বেশ জটিলতা রয়েছে। এমন বুঝলে সরাসরি তাঁকে তা জানান। ইতিমধ্যেই নতুন সম্পর্কে থাকলে সেখানেও এর প্রভাব পড়বে। তাই প্রাক্তনের যোগাযোগ করার চেষ্টার কথা জানিয়ে রাখুন বর্তমান সঙ্গীকেও।
৩.প্রাক্তন কী বলতে চাইছেন, আপনার থেকে কী চাইছেন, তা প্রথম দিনেই বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করুন। যদি দেখেন প্রাক্তন যে উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলছেন, তাতে আপনি বিরক্ত, তা হলে তাঁকে এড়িয়ে যান প্রথম থেকেই। হাবেভাবেও বুঝিয়ে দিন সে কথা।
৪. যদি বিরক্ত করার সীমা প্রাক্তন ছাড়াতে থাকেন, তার সঙ্গে সাধারণ যোগাযোগও বন্ধ করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ও ফোন থেকে ব্লক করুন।
৫. প্রাক্তনের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখলেও, অতীতে একসঙ্গে কাটানো সময় নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করবেন না। এতে প্রাক্তন আরও বেশি করে ফিরে আসার প্রসঙ্গ টানবে।
৬. কমন বন্ধুর বিয়েতে দু’জনেই নিমন্ত্রিত হলে সেখানেও তাঁকে এড়িয়ে চলুন।
৭. রাস্তায় কোথাও দেখা হয়ে গেলে সৌজন্যের খাতিরে সাধারণ কথার বিনিময় করুন। সেখানেও ফিরে আসার বিষয়ে প্রাক্তন কথা বললে অবশ্যই এড়িয়ে যান। স্পষ্ট জানিয় দিন, তাঁর সঙ্গে কথা বলতে আপনি আগ্রহী নন।
৮. বিরক্ত করার মাত্রা ছাড়ালে বর্তমান সঙ্গীর সঙ্গে প্রাক্তনের সামনাসামনি কথা বলিয়ে দিন।