হঠাৎ কানে কম শোনা বা বধিরতা? দ্রুত চিকিৎসা না করালে স্থায়ী ক্ষতি!

হঠাৎ করে কানে কম শুনতে পাওয়া, বধির হয়ে যাওয়া অথবা কান স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সাডেন সেনসরি নিউরাল হিয়ারিং লস’ বলা হয়। এই আকস্মিক শ্রবণশক্তি হারানোর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসজনিত সংক্রমণ এই সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। তবে কারণ যাই হোক না কেন, হঠাৎ বধিরতার চিকিৎসা যত দ্রুত সম্ভব শুরু করা উচিত। চিকিৎসায় যত বিলম্ব ঘটবে, শ্রবণশক্তি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা ততই কমতে থাকবে।

চিকিৎসকদের স্পষ্ট বার্তা, কোনো রোগী হঠাৎ বধিরতা শুরুর প্রথম দিন থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে যদি শ্রবণশক্তির কোনো উন্নতি অনুভব না করেন, তাহলে তার আর স্বাভাবিক শ্রবণ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

তাই, যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ হঠাৎ করে কানে কম শোনা বা বধিরতার মতো সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে কালবিলম্ব না করে অবিলম্বে একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের (ENT specialist) শরণাপন্ন হোন। দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং সঠিক চিকিৎসা শুরু করাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দিতে পারে। অবহেলা করলে চিরতরে শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে।