মাখন-মিষ্টির লড়াই গাল গড়িয়ে জল! জন্মাষ্টমীর টাস্কে মেজাজ হারিয়ে এ কী করলেন নীলাঞ্জন?

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিগ বস বাংলার ঘরে বসেছিল এক জমজমাট মেলার আসর। কিন্তু সেই আনন্দঘন উৎসব মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, যখন মাখন, মিষ্টি ও কাচের চুড়ির এক বিশেষ টাস্ককে কেন্দ্র করে ঘরের অন্দরে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পুরুষ সদস্যদের ‘মাখনচোর’ এবং মহিলাদের ‘গোপী’ দলে ভাগ করে এই লড়াই শুরু হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেদের লক্ষ্য ছিল মেয়েদের হাতে চুড়ি পরানো এবং মেয়েদের কাজ ছিল লাড্ডু ও মাখন রক্ষা করা। কিন্তু খেলার উত্তাপ বাড়তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত তা গড়ায় সুইমিং পুলের জলে।
টাস্কের মাঝেই আচমকা মেজাজ হারিয়ে বসেন প্রতিযোগীদের অন্যতম পরিচিত মুখ নীলাঞ্জন লাফটারসেন। সোনামণি সাহার ওপর চড়ে বসে তিনি খেলা বয়কটের হুমকি দেন। নাটকীয়তার এখানেই শেষ নয়; একটি লাড্ডুর থালা হাতে সোজা সুইমিং পুলে নেমে পড়েন নীলাঞ্জন। তাঁকে আটকাতে জলে নেমে পড়েন নন্দিনীও। ঠিক তখনই শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। নন্দিনীকে জল ছিটিয়ে বাধা দেওয়ার সময় নীলাঞ্জন বিকট চিৎকারে বলে ওঠেন, ‘ডোন্ট টাচ মি!’ এই অপ্রত্যাশিত আচরণে মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর উত্তেজনার পারদ চড়ে যায়। নন্দিনীর পালটা অভিযোগ ছিল যে তিনি নীলাঞ্জনকে স্পর্শই করেননি, বরং নীলাঞ্জনই তাঁকে ধাক্কা মেরেছেন।
জল থেকে উঠেও গোপী দলের সদস্যরা ভাঙা লাঠি আগলে লড়াই চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত হিসেব নিকেশ করে দেখা যায়, মেয়েদের দলের কাছেই বেশি মাখন ও মিষ্টি রয়েছে। অর্থাৎ খেলায় তাঁরাই এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু ঠিক তখনই বিগ বস এক বড় টুইস্ট আনেন। বিগ বস ঘোষণা করেন যে, টাস্কের প্রধান নিয়ম ভঙ্গ করে দুই দলের লড়াইয়ের সময় হাঁড়ি ভাঙার লাঠি ভেঙে ফেলা হয়েছে। তাই নিয়মভঙ্গের কারণে কাউকেই বিজয়ী ঘোষণা করা সম্ভব নয়। এই পুরো ঘটনায় শান্ত স্বভাবের নীলাঞ্জনের এই উগ্র রূপ দেখে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা।