“ওদের প্রচণ্ড ইগো আর নিরাপত্তাহীনতা!” বয়স্ক সহকর্মীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নীনা গুপ্তার

বলিউড ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলেই আজকাল নানা জল্পনা শোনা যায়। সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে বলিপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। বিগত কয়েক দশক ধরে রূপোলি পর্দায় সফলতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তবে দীর্ঘ কেরিয়ারের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি জানান, সমবয়সী অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা বেশ ক্লান্তিকর। নীনার সাফ দাবি, তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের সঙ্গে তাঁর দারুণ বোঝাপড়া তৈরি হয়, কারণ তাদের মধ্যে বাড়তি অহংকার বা পজিশনিংয়ের জটিলতা থাকে না। কিন্তু যখনই তিনি তাঁর সমবয়সী বা প্রবীণ অভিনেতাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেন, তখন তাঁদের অতিরিক্ত ইগো এবং তীব্র নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি হতে হয়, যা কাজের পরিবেশকে কঠিন করে তোলে।

অন্যদিকে, ছোটপর্দায় শুরু হওয়া বিতর্কিত রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস’ সিজন ২০ নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে সলমন খানের সঞ্চালনায় শুরু হয়েছে এই জনপ্রিয় মেগা শো। এবারের সিজনে প্রতিযোগীদের তালিকা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে। এর মাঝেই অভিনেত্রী মাহি ভিজ একটি ঘরোয়া আড্ডায় বেফাঁস মন্তব্য করে বসেছেন। বাদশার প্রাক্তন স্ত্রী ইশা রিখিকে উদ্দেশ করে তিনি জানান, এবারের শোতে তিনজন ডিভোর্সি প্রতিযোগী রয়েছেন— মাহি নিজে, ইশা এবং জনপ্রিয় বক্সার মেরি কম। তাঁদের এই পর্বটিকে তিনি ‘ডিভোর্সি স্পেশ্যাল’ এবং তাঁদের কেরিয়ারের ‘সেকেন্ড ইনিংস’ বলে কটাক্ষ করেছেন। সলমনের এই শোয়ে এবারের আকর্ষণীয় প্রতিযোগী তালিকায় কুশল তনওয়ার, আম্রপালি দুবে, আসিফ খান, উদিতি সিং, ফয়সল খান, রিয়া আহির, কাজী তৌকির, কণিকা মান, রোহেদ খান, আমন গান্ধী, খুশি দুবে, ঋতি তিওয়ারি, লাভ গিল ও র‍্যাপার ইয়ুং DSA-এর মতো তারকারা রয়েছেন।

বিনোদনের পাতায় আরও এক চর্চিত বিষয় অভিনেতা রাজেশ শর্মার শারীরিক অসুস্থতা। কয়েকমাস আগে দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফৌজি’ ছবির শুটিং চলাকালীন রাজেশ শর্মার অসুস্থ হওয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। সেসময় জোরদার রটনা রটেছিল যে শুটিং সেটে বিষাক্ত পোকার কামড়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। তবে সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে অভিনেতা নিজেই খোলসা করেছেন আসল সত্যিটা। রাজেশ সাফ জানিয়েছেন, প্রভাসের ‘ফৌজি’ ছবির সেট বা হায়দরাবাদের শুটিং ইউনিটের সঙ্গে এই ঘটনার দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। আসল কারণ ছিল তাঁর অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। কলকাতায় ফেরার পর সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হয়েছিল, যা তিনি প্রথমে অবহেলা করেছিলেন।