পুজোর মুখেই ঘোর বিপদে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহম! হাইকোর্টে জামিন খারিজ, হতে পারেন গ্রেফতার?

উৎসবের আবহে দারুণ বিপাকে অভিনেতা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। ১৫ লাখ টাকার প্রতারণা ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় আইনি ধাক্কা খেলেন তিনি। অভিনেতার আগাম জামিনের আবেদন সরাসরি নাকচ করে দিল উচ্চ আদালত। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের এজলাসে এই মামলার শুনানি শেষে জামিনের আবেদন খারিজ করা হয়। এর ফলে পুজোর মুখেই অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর গ্রেফতারির প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে সোহমের বিরুদ্ধে?
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৭ সালে বালুরঘাটের ব্যবসায়ী তরুণ দাসের থেকে ছবিতে অভিনয় করার নাম করে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন সোহম। অভিযোগ, চুক্তি অনুযায়ী টাকা নেওয়ার পরও ছবিতে কাজ করেননি তিনি। এমনকি বছরের পর বছর গড়িয়ে গেলেও সেই টাকা ফেরত দেননি। ২০১৮ সালের অক্টোবরে চেকের মাধ্যমে সেই টাকা মেটানো হয়েছিল বলে দাবি ব্যবসায়ীর।
এরপর গত ১৯ মে তরুণ দাস সোহমের ম্যানেজার সুমন করের সঙ্গে দেখা করে টাকা ফেরতের দাবি জানালে, অভিনেতা টাকা দিতে অস্বীকার করেন। উল্টে তাঁর সম্মানহানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। বাধ্য হয়েই অভিযুক্ত অভিনেতার বিরুদ্ধে বালুরঘাট থানায় প্রতারণা ও জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর (FIR) দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী।
অতীতেও জড়িয়েছেন নানা বিতর্কে
অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিতর্কে জড়ানো অবশ্য নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিকবার তিনি সংবাদ শিরোনামে এসেছেন:
রেস্তোরাঁ মালিককে প্রহার: ২০২৪ সালে নিউটাউনের সাপুরজি এলাকায় একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরে নিজেই সেই মারধরের কথা স্বীকার করেছিলেন তিনি।
শুটিং স্পটে গণ্ডগোল: একটি হোটেলের শুটিং স্পটে পৌঁছেও অনভিপ্রেত গণ্ডগোল বাঁধানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর নামে।
হাইকোর্টে আগাম জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর এখন পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও বিনোদন মহলের।