আট বছর পর জট কেটে হাওড়া-সহ রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি চূড়ান্ত! ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে বড় আপডেট!

রাজ্যজুড়ে পুরভোটের প্রস্তুতি এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, আগামী ২৮ নভেম্বর রাজ্যের সাতটি পুরসভায় একযোগে ভোটগ্রহণ হতে পারে এবং ভোট গণনা হতে পারে ২ ডিসেম্বর। অতি সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সেরে এই সম্ভাব্য নির্ঘণ্টের প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারির আগে রাজ্য সরকারের আনুষ্ঠানিক সম্মতির অপেক্ষা করা হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় আট বছর ধরে নির্বাচিত বোর্ড ছাড়াই প্রশাসক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা। তবে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ পুরসভার ডিলিমিটেশন বা সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজ এবং ওয়ার্ডভিত্তিক সংরক্ষণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। দুর্গাপুজোর ঠিক পরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে বলে জোরালো জল্পনা শুরু হয়েছে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলাশাসকদের নিয়ে পৃথক বৈঠকও করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্তা।আসন্ন কলকাতা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরনিগমের নতুন মানচিত্র অনুযায়ী মোট ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২০৯টি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা নির্দিষ্ট আধিকারিক অভিষেক কুমার তিওয়ারি এই সংক্রান্ত আসন সংরক্ষণের চূড়ান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তফশিলি জাতির (এসসি) জন্য ১২৫, ১৪৪, ১৫৪, ১৫৮ এবং ১৯২ নম্বর ওয়ার্ডগুলি সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। তবে তফশিলি উপজাতির (এসটি) জন্য এবার কোনো আসন সংরক্ষণের প্রয়োজন পড়েনি। পাশাপাশি, মহিলাদের জন্য একাধিক ওয়ার্ড সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। সাধারণ মহিলাদের পাশাপাশি ২৫, ৭৫, ১৫৪ এবং ১৯৭ নম্বর ওয়ার্ডগুলি বিশেষভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে। বাকি সমস্ত উন্মুক্ত ওয়ার্ডগুলিতে সাধারণ প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। পশ্চিমবঙ্গ পৌর নির্বাচন বিধি মেনেই এই তালিকা প্রকাশিত হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলি এখন থেকেই নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও জোরদার করে তুলেছে।