প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে ২৫ বছরের ইতিহাস! মোদির দীর্ঘতম রাজনৈতিক ইনিংসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সতীর্থরা

প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর কাজ করার এক বিরল ও ঐতিহাসিক কৃতিত্ব অর্জন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথমবার গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত নিরলসভাবে দেশ ও জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে চলেছেন তিনি। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার রজতজয়ন্তী পূর্ণ হওয়ার মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। বিজেপি এবং এনডিএ জোটের পক্ষ থেকে নানা বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উদযাপন করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই দীর্ঘ ও সফল রাজনৈতিক পথচলার প্রশংসা করতে গিয়ে স্বামী বিবেকানন্দর প্রসঙ্গ টেনেছেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি বলেন, ‘‘স্বামী বিবেকানন্দ একশো বছর আগে ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন যে একদিন ভারত ‘বিশ্বগুরু’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আজ সেই স্বপ্নই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। একজন নরেন্দ্র সেই কথা বলেছিলেন, আর আরেকজন নরেন্দ্রর নেতৃত্বে সেই স্বপ্ন আজ পূর্ণতা পেল।’’ শিবরাজ আরও জানান, মোদির কঠোর পরিশ্রম, ইস্পাত-কঠিন ধৈর্য এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক অনন্য অনুপ্রেরণা।
শুধু শিবরাজ সিং চৌহানই নন, মোদির এই অনন্য কীর্তিতে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বও। বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন মন্তব্য করেছেন যে, সরকারের প্রধান হিসেবে মোদির এই ২৫ বছরের সোনালি যাত্রাপথ কেবল সময়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আধুনিক ও আত্মনির্ভর ভারত গঠনের এক অটল সংকল্পের ইতিহাস। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, মোদির এই দীর্ঘ যাত্রার মূল মন্ত্র হল ‘দেশকে সবার আগে রাখা’। দরিদ্র, নারী ও যুবকল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি শাসনব্যবস্থার আমূল রূপান্তর ঘটিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকরিও মোদির নির্ভীক নেতৃত্ব ও সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন।
সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা বিশেষ বার্তার মাধ্যমে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হাজারো প্রতিকূলতা ও বিরোধীদের রাজনৈতিক আক্রমণের মুখেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনও মাথা নত করেননি। তাঁর এই অদম্য জেদ ও কর্মদক্ষতাই প্রমাণ করে যে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গঠনে তাঁর নেতৃত্ব কতটা অবিচল।