বিগ বস বাংলায় বড় টুইস্ট! রাজনৈতিক টাস্কে দুর্নিবার বনাম জীতুর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে উত্তাল ঘর

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’-য় রোমাঞ্চ এবং উত্তেজনার পারদ হু হু করে চড়ছে। খেলা এখন এক দারুণ মোড়ে এসে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিযোগীদের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ময়দানের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই সপ্তাহে লাক্সারি বাজেট জেতার জন্য বিগ বসের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ রাজনৈতিক টাস্ক দেওয়া হয়। শোয়ের নিয়ম মেনে দুটি দল তৈরি করা হয়—একটি ‘হরিণ পার্টি’, যার নেতৃত্বে ছিলেন জীতু কামাল এবং অন্যটি ‘পাখি দল’, যার দলের কাপ্তান হিসেবে সামনে আসেন দুর্নিবার সাহা। দুই দলের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন কর্মী ও আমজনতা, আর নির্বাচন কমিশনারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলান ভরত কল।
বুধবারের ৩১তম দিনের এপিসোডে দুই দলকেই নিজেদের প্রতীক, স্লোগান ও ম্যানিফেস্টো নিয়ে জোর প্রচার চালাতে দেখা যায়। প্রচারের শুরুতেই রাজবীরকে ‘গুন্ডা’ বলাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পাখি দলের বেশ কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। তবে সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে নজর কাড়ে জীতু ও দুর্নিবারের চমৎকার রাজনৈতিক বক্তব্য। কিন্তু আসল টুইস্ট আসে ভোটিং পর্বের সময়। নির্বাচন কমিশনার ভরত কল নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ভোট পরিচালনা করলেও, কোনো এক সদস্যের গোপন ছাপ্পা ভোটের কারণে পুরো লাক্সারি বাজেট টাস্কটিই ভেস্তে যায়। বিগ বস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, নির্বাচন আধিকারিক হিসেবে ভরত কল ছাপ্পা ভোটদাতা কে তা ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন, ফলে এই সপ্তাহে কাউকেই লাক্সারি বাজেট দেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, খেলার সমীকরণের পাশাপাশি নীরঞ্জন ও ঝিলমের পারস্পরিক মনোমালিন্য এবং নতুন প্রতিযোগী অনুষ্কার কৌশলগত অবস্থানও বেশ শোরগোল ফেলে দিয়েছে। একদিকে দুর্নিবারের সঙ্গে হাত মেলালেও গোপনে জীতু-রাজবীরের দলে ঢোকার ফন্দি আঁটছেন অনুষ্কা, যা ইতিমধ্যেই ধরে ফেলেছেন জীতু। তবে এত নাটক ও উত্তেজনার মাঝেও দীপেন্দু বিশ্বাসের জন্মদিনের মিষ্টি উদযাপনে মেতে ওঠেন সমস্ত হাউজমেটস। কিন্তু ভরত কলের বারবার খাবার নিয়ে খোঁটা দেওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জীতু। আগামী দিনে ক্যাপ্টেন হওয়ার দৌড়ে এই সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।