চমকপ্রদ তথ্য! প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ারে বিনিয়োগ করলেই মিলছে বড় ছাড়, কীভাবে বাঁচছে টাকা?

বর্তমান কর্মসংস্কৃতিতে করপোরেট সংস্থাগুলি কেবল গতানুগতিক স্বাস্থ্য বিমাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং কর্মীদের সামগ্রিক সুস্থতার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই এক চমকপ্রদ তথ্য। বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সংস্থাগুলি কর্মীদের জন্য থেরাপি, জিম সুবিধা, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং টেলিহেলথ পরিষেবাগুলির মতো নানা আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। এই প্রিভেন্টিভ হেলথ কেয়ার বা প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলি সংস্থার ওপর খরচের বোঝা বাড়ানোর বদলে উল্টে দীর্ঘমেয়াদী লাভ এনে দিচ্ছে।
বিখ্যাত প্ল্যাটফর্ম ‘প্লাম’-এর সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠান প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলিতে সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ করছে, তাদের ক্ষেত্রে কর্মীদের পুরোনো বা দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণে করা বিমা দাবির (क्लेম) হার প্রায় ১৩ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন কর্মীরা উন্নত জীবনের দিশা পাচ্ছেন, তেমনই সংস্থাগুলির আর্থিক সাশ্রয়ও হচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, এই বিচক্ষণ পদক্ষেপের সুবাদে প্রতিটি কর্মীর পেছনে প্রিমিয়ামের খরচ বাবদ প্রায় ৪৮০ টাকা পর্যন্ত সরাসরি সাশ্রয় হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সুস্থ এবং মানসিক দিক থেকে চাপমুক্ত কর্মীবাহিনী যেকোনো প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তাই আগামিদিনে এই ধরনের স্বাস্থ্যবান্ধব নীতি গ্রহণের প্রবণতা করপোরেট জগতে আরও বেশি মাত্রায় বৃদ্ধি পাবে, যা একই সঙ্গে নিয়োগকর্তা এবং কর্মী—উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক প্রমাণিত হচ্ছে।