সিনেমা হলে মদ্যপান-ধূমপান অতীত! মাদক দেখলেই এবার পর্দায় ফুটবে এই মারাত্মক সতর্কবার্তা

এতদিন সিনেমা, ওয়েব সিরিজ বা কোনো ভিডিওতে ধূমপান কিংবা মদ্যপানের দৃশ্যের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সতর্কবার্তা দেখানো বাধ্যতামূলক ছিল। তবে এবার সেই নিয়মের পরিধি আরও বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশনের ক্ষেত্রে নতুন ও কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। সিনেমাটোগ্রাফ আইনের আওতায় এবার থেকে যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্যের সেবন, ব্যবহার কিংবা পাচারের দৃশ্যের ক্ষেত্রেও পর্দায় সুনির্দিষ্ট সতর্কবার্তা ফুটিয়ে তোলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের (CBFC) নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, পর্দায় মাদক বা সাইকোট্রপিক পদার্থের ব্যবহারের দৃশ্য এলে একটি নির্দিষ্ট বার্তা প্রদর্শন করতে হবে। সেই বাধ্যতামূলক সতর্কবার্তাটি হলো: “অবৈধ মাদক স্বাস্থ্য ধ্বংস করে এবং কারাদণ্ড নিশ্চিত করে। মাদককে ‘না’ বলুন।”
এর আগে সিবিএফসি-র নিয়মে কেবল এটি নিশ্চিত করার নির্দেশ ছিল যাতে মাদকাসক্তিকে কোনোভাবেই উৎসাহিত, যৌক্তিক বা আকর্ষণীয় করে না তোলা হয়। কিন্তু তখন পর্দায় সুনির্দিষ্ট এই স্ট্যাটুটরি ওয়ার্নিং প্রদর্শনের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। গত মাসেই অবশ্য ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলোকে মাদক সংক্রান্ত দৃশ্যে এই ধরনের সতর্কবার্তা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল মন্ত্রক।
উল্লেখ্য, গত বুধবারই কেন্দ্রীয় সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনকে (CBFC) পুনর্গঠন করেছে। শশী শেখর ভেমপতির নেতৃত্বে গঠিত ১৮ সদস্যের এই নতুন বোর্ডে জায়গা পেয়েছেন প্রীতি জিন্টা, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, সুনীল শেঠি, পল্লবী জোশী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, পরিচালক প্রিয়দর্শন এবং গ্র্যামি-জয়ী সঙ্গীতশিল্পী রিকি কেজের মতো তারকারা। তিন বছর মেয়াদী এই নতুন বোর্ড চলচ্চিত্র জগতের সার্বিক মানোন্নয়ন এবং নিয়মকানুন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবে।