‘সলমন স্যার সবটা দেখুক, খুব ঔদ্ধত্য!’ ভাইজানের টিমের বিরুদ্ধে সরাসরি ক্ষোভে ফেটে পড়লেন অমাল মালিক

২০১৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল সলমন খান প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘হিরো’। সম্প্রতি ছবিটির মুক্তির ১১ বছর পূর্তি উপলক্ষে সলমন খানের নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ থেকে একটি বিশেষ পোস্ট শেয়ার করা হয়। তবে সেই পোস্টকে কেন্দ্র করেই দানা বেঁধেছে তীব্র বিতর্ক। ছবির অন্যতম হিট গান ‘ম্যাঁয় হু হিরো তেরা’-র ক্লিপিং শেয়ার করা হলেও, গানটির সুরকার ও গীতিকারের প্রতি কোনো ন্যূনতম কৃতজ্ঞতা বা নামের উল্লেখ না থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সঙ্গীত পরিচালক অমাল মালিক। প্রযোজনা সংস্থার সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সুর চড়িয়ে টিমের এই আচরণকে ‘ঔদ্ধত্য’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।
সলমন খানের পেজ পরিচালনাকারীদের প্রতি তোপ দেগে কমেন্টে অমাল লেখেন, এই ধরনের ঔদ্ধত্য সত্যিই মানা যায় না। একজন সুরকার ও গীতিকার নিজেদের রক্ত-ঘাম এক করে একটি গান তৈরি করেন। অথচ সেই গান উদযাপনের সময় মূল সৃষ্টিকর্তাদেরই বাদ দেওয়া হলো, যা অত্যন্ত অমিল ও দুর্ভাগ্যজনক। ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, পেজ পরিচালকদের বেসিক সৌজন্যবোধ শেখা উচিত, তা না হলে পেজটি ডিলিট করে দেওয়া দরকার। সলমন স্যার নিজে যেন এই বিষয়টি দেখতে পান এবং পেজ পরিচালকদের ভুল বুঝতে পারেন, সেজন্য নিজের কমেন্ট মুছে না দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
উল্লেখ্য, ‘হিরো’ ছবির মাধ্যমেই বলিউডে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল সুরজ পাঞ্চোলি ও আথিয়া শেট্টির, যদিও দুজনেই বর্তমানে অভিনয়ের দুনিয়া থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। অন্যদিকে, সুরকার অমাল মালিক কয়েক দিন আগেই অরিজিৎ সিংয়ের অনুকরণে আগামী বছর পর্যন্ত সিনেমার গান তৈরি থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, বিরতি শেষে আবারও রোম্যান্টিক গান নিয়েই কাজে ফিরবেন। পাশাপাশি চলতি বছরের শুরুতেই ইন্ডাস্ট্রির প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে অমাল জানিয়েছিলেন যে, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির শিকার হয়ে বিগত কয়েক বছরে প্রায় ৬০টিরও বেশি প্রজেক্ট থেকে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে।