রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের ধ্বংসাত্মক ড্রোন হামলা! এদিকে কিয়েভে শান্তি আলোচনার টেবিলে আমেরিকার বড় চমক

রাশিয়ার তেল শোধনাগার এবং ড্রোন ঘাঁটিতে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে ইউক্রেনীয় সেনা। সোমবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রুশ আগ্রাসনের মোক্ষম জবাব দিতে তাদের বাহিনী রাশিয়ার রিয়াজান, পার্ম এবং তাতারস্তান অঞ্চলের একাধিক তেল শোধনাগারে দূরপাল্লার অস্ত্র দিয়ে আঘাত হেনেছে। এছাড়া কুর্স্ক অঞ্চলের একটি ড্রোন মজুত ও লঞ্চিং সাইটেও সফল হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। জেলেনস্কি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই নিখুঁত নিশানার জন্য প্রতিটি সামরিক ইউনিটকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের এই পালটা আক্রমণের জবাবে রাশিয়াও তাদের বন্দর পরিকাঠামো এবং অস্ত্রবাহী জাহাজের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। রুশ সরকারি সংবাদ সংস্থা TASS-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, চের্নোমোর্স্ক ও ইজমাইল বন্দরে ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম নামানোর বহুমুখী কমপ্লেক্স এবং কার্গো জাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। পশ্চিমা দেশগুলির পাঠানো অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করতেই এই আক্রমণ চালানো হচ্ছে বলে দাবি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের।
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝেই ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ দুই মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার কিয়েভে পৌঁছে ইউক্রেনীয় আধিকারিকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন। এর আগে তাঁরা মস্কোয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও বৈঠক সেরেছেন। যদিও এই মধ্যস্থতায় এখনও বড় কোনো স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি, তবে মার্কিন প্রতিনিধিরা দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে জোরকদমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।