এক সপ্তাহের মধ্যে ফের আকাশে বড়সড় যান্ত্রিক গোলযোগ! বারাণসী থেকে ওড়ার পরই কী এমন ঘটল বিমানে?

বৃহস্পতিবার বারাণসী থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার ঠিক কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঝআকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে আচমকা স্মোক অ্যালার্ম বেজে ওঠায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যাত্রীদের মধ্যে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তড়িঘড়ি বিমানটিকে লখনউয়ের চৌধুরী চরণ সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়। এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের আইএক্স ১২৫৩ নম্বরের এই ফ্লাইটে থাকা সমস্ত ১৫৫ জন যাত্রী এবং ক্রু সদস্য সম্পূর্ণ নিরাপদে লখনউয়ে অবতরণ করেছেন বলে বিমানবন্দর সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিমানটি লখনউ বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দরের বিশেষ এমারজেন্সি রেসপন্স টিম বিমানটির ভেতরে ও বাইরে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিদর্শন চালায়। তবে তল্লাশির পর বিমানটিতে দৃশ্যমান কোনো ধোঁয়া বা আগুন দেখতে পাওয়া যায়নি। এই অনভিপ্রেত ঘটনা প্রসঙ্গে বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, “আমাদের যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বদা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বারাণসী-দিল্লি রুটের এই বিশেষ ফ্লাইটের ক্রু সদস্যরা যান্ত্রিক ত্রুটির প্রাথমিক লক্ষণ দেখেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ফ্লাইটটি লখনউয়ে জরুরি অবতরণ করানোর বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেন।” পাশাপাশি সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, আতঙ্কিত ও আটকে পড়া অতিথিদের দ্রুত তাঁদের গন্তব্যে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে একটি বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, এর ঠিক কয়েক দিন আগেই গোয়া থেকে দিল্লিগামী ইন্ডিগোর একটি বিমানের ক্রু সদস্যরা মাঝ-আকাশে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার জরুরি বার্তা এটিসি-কে জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের আরও এক প্রথমসারির বিমান সংস্থার বিমানে এ ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগের পুনরাবৃত্তি ঘটায় বিমান যাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।