মোদীর ১২ বছর: উত্তরপ্রদেশ কি সত্যিই হয়ে উঠছে ভবিষ্যতের ‘পাওয়ার হাউস’?

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর ১২ বছর পূর্ণ হওয়ার এই মাহেন্দ্রক্ষণ উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের নিরিখে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যে রাজ্য একসময় দীর্ঘকাল উপেক্ষিত ছিল, আজ সেই উত্তরপ্রদেশই ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে। এই পরিবর্তনের মূল কারিগর প্রধানমন্ত্রী মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কর্মতৎপরতা।

২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মোদী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উত্তরপ্রদেশকে ভারতের উন্নয়নের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু বা ‘ল্যাবরেটরি’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তবে ২০১৭ সালে যোগী সরকার ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো রাজ্যে থমকে ছিল। অপরাধ দমন, মাফিয়া রাজের অবসান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই ছিল উন্নয়নের প্রথম ধাপ, যা যোগী সরকার সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করেছে।

কাশী বিশ্বনাথ করিডোর থেকে অযোধ্যা রাম মন্দির—সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের পাশাপাশি পরিকাঠামোয় এসেছে বিপ্লব। পূর্বাঞ্চল, বুন্দেলখণ্ড এবং গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মতো মেগা প্রকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বদলে দিয়েছে। এছাড়া কুশীনগর, অযোধ্যা এবং জেওয়ারের মতো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উত্তরপ্রদেশকে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে দিয়েছে। ডিফেন্স করিডোর এবং বৃহৎ শিল্প প্রকল্পগুলোতে ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে।

পিএম আবাস যোজনা, উজ্জ্বল ও স্বচ্ছ ভারত মিশনের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছেছে সরকারি সুবিধা। মোদীর সুনির্দিষ্ট রূপকল্প এবং যোগীর কঠোর বাস্তবায়নের যুগলবন্দীতে উত্তরপ্রদেশ আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। এই উন্নয়নের যাত্রা চলমান এবং সমৃদ্ধ উত্তরপ্রদেশ গড়ে তোলার পথ এখন সুগম।