‘ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না’, মমতার বুথ ভ্রমণকে বিঁধে বিস্ফোরক শুভেন্দু! উত্তপ্ত ভোট ময়দান

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার সবথেকে চর্চিত কেন্দ্র এখন ভবানীপুর। একদিকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে তাঁর একসময়ের সেনাপতি ও বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই এই কেন্দ্রকে ঘিরে পারদ চড়ছে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিয়েই ময়দানে নেমে পড়েছেন মমতা, আর শুভেন্দু দিন শুরু করেছেন খিদিরপুরের হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে।
পোস্টার বিতর্ক ও কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরব মমতা
এদিন বুথ পরিদর্শনে বেরিয়ে বিস্ফোরক মেজাজে ধরা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, “বিভিন্ন এলাকায় আমার পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির কথা মতো চলছে কিছু অবজার্ভার। এভাবে কি অবাধ ভোট হওয়া সম্ভব?” তিনি সাফ জানান, এই নিয়ে ইতিপূর্বেই আদালত অবমাননার নোটিস দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও বহিরাগত হস্তক্ষেপ কমছে না বলে তাঁর দাবি।
শুভেন্দুর তীক্ষ্ণ কটাক্ষ: ‘ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না’
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সকালে রাস্তায় নামতে দেখে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বিদ্রূপের সুরে বলেন, “ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। এবার আর কোনো লাভ হবে না।” কপালে তিলক কেটে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দুর দাবি, হিন্দু ভোটাররা এবার একজোট হয়ে ভোট দিচ্ছেন। কলকাতার ইতিহাসে এমন স্বতঃস্ফূর্ত ভোট এর আগে দেখা যায়নি বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
ভোটের অঙ্ক ও নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হয়েছেন। প্রথম দফায় নন্দীগ্রামে তাঁর লড়াই ছিল পবিত্র করের বিরুদ্ধে। আজ ভবানীপুরের ভাগ্য নির্ধারণে সাধারণ মানুষ কার দিকে পাল্লা ঝোঁকান, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।