রাজ্য বিধানসভায় বৃহস্পতিবার এক নজিরবিহীন দৃশ্যের সাক্ষী থাকল রাজনৈতিক মহল। উন্নয়নের বরাদ্দ ও ঋণ বিতরণ নিয়ে বাইরের কেউ নয়, বরং খোদ শাসক দলের বিধায়কদের একাংশই সরকারের বিরুদ্ধে ‘বৈষম্যের’ অভিযোগ তুলে সরব হলেন। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কক্ষের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয় এবং দলের অভ্যন্তরীণ ফাটল প্রকাশ্যে চলে আসে।
বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের অভিযোগ, রাজ্যের নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে উন্নয়নের জোয়ার এলেও বেশ কিছু এলাকা, বিশেষ করে সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনপদগুলি ক্রমাগত আর্থিক বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁরা দাবি করেন, রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার ভিত্তিতেই ঋণ ও তহবিল বণ্টন করা হচ্ছে। এই বিদ্রোহ দমাতে আসরে নামতে হয় দলের প্রবীণ নেতৃত্বকে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সরকার পাঁচ বছরের পূর্ণ মেয়াদ শেষ করবে এবং নেতৃত্বের পরিবর্তন নিয়ে কোনও জল্পনার অবকাশ নেই। তবে প্রশাসনিক কোনও ত্রুটি থাকলে তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বিরোধীরা এই সুযোগে শাসক দলের ‘অনৈক্য’ নিয়ে তোপ দাগলেও, সরকারের দাবি— মতপার্থক্য গণতন্ত্রের অংশ এবং উন্নয়ন থামবে না।