নির্বাচন কমিশনের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অনেকেরই নাম বাদ গিয়েছে, আবার অনেকের তথ্যে ভুল রয়েছে। কিন্তু যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে বা যাঁদের নাম নিয়ে কমিশনের সন্দেহ রয়েছে, তাঁদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? হিয়ারিং বা শুনানির প্রক্রিয়া ঠিক কীভাবে চলবে? এই নিয়ে একগুচ্ছ তথ্য সামনে আসছে।
নাম না থাকলে হিয়ারিং কবে ও কোথায়? যাঁদের নাম খসড়া তালিকায় নেই, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেছে কমিশন।
-
সমন বা নোটিশ: বিএলও (BLO)-র মাধ্যমে আপনার কাছে হিয়ারিং-এর সমন বা নোটিশ পৌঁছাবে।
-
কোথায় যেতে হবে: সাধারণত সংশ্লিষ্ট মহকুমাশাসকের দপ্তর (SDO Office) বা বিডিও (BDO) অফিসে শুনানির জন্য ডাকা হবে। কিছু ক্ষেত্রে স্থানীয় স্কুলেও হিয়ারিং ক্যাম্প হতে পারে।
সাথে কী কী ডকুমেন্ট বা নথি রাখবেন? হিয়ারিং-এর দিন নিজের দাবি সপ্রমাণ করতে নিচের নথিগুলি সাথে রাখা আবশ্যিক: ১. এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার রিসিভ কপি। ২. বয়সের প্রমাণপত্র (জন্ম সার্টিফিকেট বা প্যান কার্ড বা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট)। ৩. ঠিকানার প্রমাণ (আধার কার্ড বা ইলেকট্রিক বিল)। ৪. পরিবারের অন্য সদস্যদের ভোটার কার্ডের কপি।
নাম থাকলেও কেন ডাক পড়তে পারে? সূত্রের খবর, যাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে তাঁরাও পুরোপুরি বিপন্মুক্ত নন। কমিশনের সফটওয়্যার বা সার্ভার যদি কোনও নামকে ‘সন্দেহজনক’ (যেমন একই ছবি বা নাম একাধিক জায়গায় থাকা) হিসেবে চিহ্নিত করে, তবে সেই সব ভোটারকেও সশরীরে হাজির হওয়ার জন্য সমন পাঠানো হতে পারে। একেই বলা হচ্ছে ‘ভেরিফিকেশন হিয়ারিং’।
কোথায় চেক করবেন? আপনার নাম তালিকায় আছে কি না বা বাদ গিয়েছে কি না, তা জানতে নিচের দুটি ওয়েবসাইট ফলো করুন:
বিশেষ টিপস: হিয়ারিং-এর সমন পাওয়ার পর নির্দিষ্ট দিনে উপস্থিত না হলে কিন্তু স্থায়ীভাবে আপনার নাম ভোটার তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হতে পারে। তাই বিএলও-র সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন।