রাজ্যের উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য ১৭ এবং ১৮ ডিসেম্বর বিহারের গয়ায় দুই দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কর্মশালাটির আয়োজন করেছে বিহার ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (বিপার্ড), গয়া। কর্মশালার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মন্থন-২০২৫’।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
কর্মশালাটি বর্তমান শাসন চ্যালেঞ্জ, উদীয়মান প্রশাসনিক অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ নীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির ওপর আলোকপাত করবে। মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন।
-
প্রাথমিক লক্ষ্য: জেলা-কেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা জোরদার করা, আঞ্চলিক পর্যায়ে নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করা এবং অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির মাধ্যমে প্রশাসনিক দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকে উৎসাহিত করা।
আলোচনার প্রধান বিষয়বস্তু:
‘মন্থন-২০২৫’ চলাকালীন নিম্নলিখিত বিষয়গুলিতে গভীর আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে:
-
জবাবদিহিতামূলক শাসনব্যবস্থা (Accountable Governance)।
-
ব্যবসা করার সহজতা (Ease of Doing Business)।
-
নগর উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ পথ।
-
কার্যকর প্রশাসনের জন্য আইন ও আইনি কাঠামো।
-
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (PPP) এবং অবকাঠামো উন্নয়ন।
-
পরিবেশগত সংবেদনশীলতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈজ্ঞানিক সচেতনতা।
এই অধিবেশনগুলিতে বিশিষ্ট বিষয় বিশেষজ্ঞ, প্রবীণ নীতিনির্ধারক এবং অভিজ্ঞ প্রশাসকরা তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি ভাগ করে নেবেন। এছাড়াও, সফল আঞ্চলিক স্তরের প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলি তুলে ধরা হবে।
উদ্বোধন ও সমাপ্তি:
কর্মশালার উদ্বোধনের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ‘মুখ্যমন্ত্রী সম্বাদ ভাটিকা’, ‘নক্ষত্র বন’, ‘সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত ব্রহ্মযোনী সরোবর’, আপগ্রেডেড লাইব্রেরি, মোটর ড্রাইভিং স্কুল এবং নবপ্রতিষ্ঠিত স্পেস গ্যালারির উদ্বোধন করবেন।
এই কর্মশালাটি ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে বিহারের মাননীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী সম্রাট চৌধুরীর ভাষণের মাধ্যমে শেষ হবে।
উপস্থিত থাকবেন যারা:
কর্মশালায় উপস্থিত থাকবেন মুখ্য সচিব প্রত্যয় অমৃত, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব ডঃ ভি. রাজেন্দ্র, বিপার্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডঃ সাফিনা এ.এন., মগধ বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার এবং অন্যান্য সিনিয়র সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এছাড়াও, বিহারের অ্যাডভোকেট জেনারেল পি.কে. শাহী আইনি বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করবেন।
‘মন্থন-২০২৫’ রাজ্যে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করবে এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক ফলাফলে গুণগত উন্নতি সাধন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।