ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Executive President) হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন বিহারের প্রভাবশালী নেতা নীতিন নবীন। সোমবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জে পি নড্ডা এবং অমিত শাহের উপস্থিতিতে তিনি এই গুরুদায়িত্ব নেন। বিহারের একজন মন্ত্রী এবং সুসংগঠক হিসাবে পরিচিত নীতিন নবীনকে উত্তরীয় পরিয়ে কার্যনির্বাহী সভাপতির চেয়ারে বসিয়ে দেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নড্ডা। পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি এবং কেন্দ্রের হেভিওয়েট নেতা অমিত শাহ। নড্ডা ও শাহ ছাড়াও এদিন বহু প্রথমসারির নেতা উপস্থিত ছিলেন।
দায়িত্ব পেয়ে নীতিন নবীন কী বললেন?
গত রবিবারই বিজেপির সংসদীয় বোর্ড নীতিন নবীনকে এই নতুন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এত বড় দায়িত্ব পেয়ে দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নীতিন বলেন, ‘‘আমার মতো একজন সামান্য কর্মীকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের মন্ত্র হচ্ছে দলের জন্য কাজ করে যাও, দল তোমার পরিশ্রম এবং কাজের মর্যাদা একদিন নিশ্চই দেবে।’’
নীতিন নবীনের রাজনৈতিক পরিচিতি
বর্তমানে নীতিন নবীন বিহার সরকারের পিডব্লিউডি মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি পাটনার বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টানা ৫ বারের জয়ী বিধায়ক।
নীতিনের পারিবারিক পরিচিতিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বিজেপির স্টলওয়ার্ট এবং প্রাক্তন বিধায়ক নবীন কিশোর প্রসাদ সিনহার পুত্র। বাবার মৃত্যুর পরে ২০০৬ সালে উপনির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জিতে মাত্র ২৬ বছর বয়সে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। দীর্ঘদিনের আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত এই নেতার দলের অন্দরে সুসংগঠক হিসাবে বিরাট সুনাম রয়েছে। বিহারের মন্ত্রী এবং ছত্তিশগড়ের বিজেপির ইনচার্জ হিসাবে তাঁর কাজ প্রায়শই তাঁর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক দক্ষতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।