বন্যা পরিস্থিতির পর রেল সেতুগুলি কেমন রয়েছে, বিশেষ করে জলের নিচে থাকা অংশগুলির অবস্থা কেমন, তা জানতে এবার অত্যাধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে উত্তর-পূর্ব রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশন। রেল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই কাজে ব্যবহার করা হবে রোবটিক টেকনোলজি (Robotic Technology)।
সারা বছরই রেলের ইঞ্জিনিয়াররা সেতুগুলির রক্ষণাবেক্ষণ করেন। তবে এই রক্ষণাবেক্ষণের পুরোটাই হয় জলের উপরে থাকা সেতুর অংশে। যাত্রী সুরক্ষার জন্য জলের নিচে থাকা সেতুর অংশগুলির নজরদারিও জরুরি। এই কঠিন কাজকে সহজ করতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে এবার প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
কীভাবে কাজ করবে রোবট ড্রোন?
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের ডিআরএম (DRM) দেবেন্দ্র সিং জানান, ইতিমধ্যেই এই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।
নজরদারি: “বাইরে থেকে ইন্সপেকশন করে যেগুলি বোঝা যায় না, সেতুর সেই অংশগুলি রোবট দিয়ে নজরদারি করা হচ্ছে।”
তথ্য সংগ্রহ: “রোবটের মাধ্যমে জলের তলায় সেতুর ছবি তোলা হচ্ছে।”
পরবর্তী পদক্ষেপ: সংগৃহীত ছবিগুলি খতিয়ে দেখে তারপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে মোট ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু রয়েছে, যা নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়। যে নদীগুলিতে জল কম থাকে, সেগুলি শুষ্ক মরসুমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। তবে কিছু নদীতে সারা বছরই গভীর জল থাকে। ওই নদীগুলিতে থাকা সেতুর জলের তলার অংশে নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না। যাত্রী সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই রোবট ব্যবহার করে নজরদারির এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে।