স্প্যাম ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ, উত্তর না দেওয়া অ্যাকাউন্টে মেসেজ পাঠানোর সংখ্যা কমিয়ে দেবে হোয়াটসঅ্যাপ

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীকে স্প্যাম ও অপ্রয়োজনীয় বাল্ক মেসেজিংয়ের হাত থেকে রেহাই দিতে এবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল মেটা। এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে হোয়াটসঅ্যাপ এবার এমন অ্যাকাউন্টগুলিতে পাঠানো মেসেজের ওপর সরাসরি সীমা (লিমিট) আরোপ করতে চলেছে, যেগুলি থেকে কোনো উত্তর বা রিপ্লাই আসে না।
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি স্বস্তির খবর হলেও, বিজনেস অ্যাকাউন্ট এবং যারা মার্কেটিং বা রাজনৈতিক প্রচারের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি পরিবর্তন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কী এই নতুন নিয়ম?
মেটার নয়া নীতি অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি বা বিজনেস অ্যাকাউন্টের পাঠানো মেসেজের উত্তর গ্রাহক না দেন, তবে ভবিষ্যতে সেই অ্যাকাউন্টের মেসেজ পাঠানোর সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হবে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো স্প্যাম এবং বাল্ক মেসেজিংকে নিয়ন্ত্রণ করা।
কারা প্রভাবিত হবেন: এই সিদ্ধান্ত সেইসব বিজনেস অ্যাকাউন্ট এবং ব্যক্তিদের প্রভাবিত করবে, যারা ক্রমাগত অপ্রয়োজনীয় মেসেজ পাঠাতে থাকেন।
কারা আওতার বাইরে: তবে মেটা জানিয়েছে যে, বন্ধু এবং পরিবারের মধ্যে মেসেজ আদান-প্রদান এই নিয়মের আওতায় পড়বে না।
জানা গিয়েছে, স্প্যাম এবং প্রতারণার ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার হয়। ৩ বিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীসহ এই প্ল্যাটফর্মে স্প্যাম নিয়ন্ত্রণ করা মেটার জন্য সহজ নয়। আগামী সপ্তাহ থেকেই এই নতুন নিয়ম বিভিন্ন দেশে কার্যকর করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্ল্যাটফর্মের সদ্য আসা ‘ইউজারনেম ফিচার’ এবার স্প্যামের নতুন পথ খুলে দিতে পারে, যা ঠেকাতেই মেটা এত কড়া পদক্ষেপ নিল।