বালির নিচে সোনার খনি! জাহাজে পাওয়া গেল ২ হাজার স্বর্ণমুদ্রা ও কয়েকশো কেজি তামার বাট, তোলপাড় বিশ্বজুড়ে

মরুভূমি মানেই ধুধু বালির প্রান্তর, যেখানে জলের ছিঁটেফোঁটাও নেই। সেই মরুভূমির বালির নিচে কিনা পাওয়া গেল আস্ত একটি বিশাল জাহাজ! অবিশ্বাস্য হলেও এই রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটেছে নামিবিয়ার নামিব মরুভূমিতে। এই জাহাজটি ছিল একটি পর্তুগিজ জাহাজ, যা ৫০০ বছর আগে ভারতের দিকে আসার সময় সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছিল।
দ্রুত বালি সরানোর পর যে জাহাজটি উদ্ধার হয়, তার নাম ‘বোম জেসাস’ (Bom Jesus)। এটি সাব-সাহারান এলাকা বলে পরিচিত এই নামিব মরুভূমির গভীরে চাপা পড়ে ছিল।
ভারতের উদ্দেশে রওনা, মিলল সোনার ভান্ডার
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি ১৫৩৩ সালে পর্তুগাল থেকে ভারতের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই এটি সমুদ্রে নিখোঁজ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৫০০ বছর পর মরুভূমির বালির নিচে সেই জাহাজের মাস্তুলের মতো ধাতব স্তম্ভ প্রথমে উঁকি দেয়, যা দেখে দ্রুত খনন শুরু হয়।
জাহাজটি উদ্ধার হওয়ার পর তার মধ্যে থেকে যা যা উদ্ধার হয়েছে, তা দেখে প্রত্নতাত্ত্বিকরা রীতিমতো হতবাক।
স্বর্ণমুদ্রা: ২ হাজারটিরও বেশি স্বর্ণমুদ্রা।
তামা ও রূপা: কয়েকশো কেজি তামার বাট এবং প্রচুর রূপোর কয়েন।
হাতির দাঁত: বেশ কিছু হাতির দাঁতও পাওয়া গেছে।
এই জাহাজটি কীভাবে সমুদ্র থেকে এত দূরে মরুভূমির নিচে চাপা পড়ল, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে গবেষণা শুরু হয়েছে। এই আবিষ্কার কেবল নামিবিয়ার নয়, পর্তুগিজ এবং ভারতের সমুদ্র বাণিজ্যের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল।