পুজোর প্যান্ডেলে কি প্রেম হয়? অকপট আড্ডায় ফাঁস করলেন ‘কথাগ্নি’ সুস্মিতা দে! সাহেব ভট্টাচার্যের নস্টালজিয়ায় ফিরল ক্যাপ-বন্দুক

পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে। শহর থেকে গ্রাম সেজে উঠেছে উৎসবের সাজে। এই আনন্দ থেকে ব্যতিক্রম নন পর্দার ‘কথাগ্নি’ সুস্মিতা দে এবং অভিনেতা সাহেব ভট্টাচার্য। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে এক একান্ত আড্ডায় তাঁরা জানালেন নিজেদের পুজো প্ল্যান, ছোটবেলার স্মৃতি এবং ‘পুজো প্রেম’ নিয়ে মজার অভিজ্ঞতা।
সাহেব-সুস্মিতার পুজো প্ল্যান
সাহেব ভট্টাচার্যের কাছে পুজো মানেই শহরকে একেবারে অন্য রূপে দেখা। তিনি বলেন, “এই সময় আমাদের কলকাতা শহরে যে এনার্জিটা থাকে… সব হাসি মুখ এই সবটা যেন আমাদের সারা বছরে কাজ করার রসদ জোগায়।” কাজের ব্যস্ততা থাকলেও তিনি কখনওই এই সময় কলকাতার বাইরে যান না। পুজো মানেই তাঁর কাছে খাওয়া-দাওয়া এবং বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা। সুস্মিতা দে-ও জানান, তিনিও কলকাতাতেই থাকবেন এবং মজা করবেন।
তবে ভিড়ে গা ভাসিয়ে ঠাকুর দেখা মিস করলেও সাহেব জানান, পুজো পরিক্রমায় যাওয়ার সুবাদে তাঁদের কলকাতার জনপ্রিয় সব মণ্ডপ দেখা হয়ে যায়।
ভাগ্নের চোখে ছোটবেলা খুঁজছেন সাহেব
সাহেবের জন্য এই বছরের পুজোটা খুব স্পেশাল। তিনি বলেন, “আমার ভাগ্নে আসছে, বোন আসছে ব্যাঙ্গালুরু থেকে। এই বছর আমার ভাগ্নে প্রথম কলকাতার দুর্গাপুজো দেখবে। ওঁর একেবারে নতুন একটা অভিজ্ঞতা হবে, সেটা নিয়ে আমি বেশি উৎসাহিত।”
আসলে ভাগ্নের মধ্য দিয়ে সাহেব নিজের ছোটবেলাকে ফিরে পেতে চান। তাঁর ছোটবেলার পুজো ছিল বেশ সাবেকী। এত থিম পুজো ছিল না। তাঁর কথায়, “ছোটবেলার দুর্গাপুজো মানেই আমার কাছে ক্যাপ বন্দুক। সারা পুজোয় ক্যাপ ফাটাতাম।” পাশাপাশি পাড়ার অনুষ্ঠানে ভালো ভালো শিল্পীদের আসাটাও খুব উপভোগ করতেন তিনি।
অন্যদিকে, সুস্মিতার ছোটবেলার পুজো ছিল সাদামাটা, যেখানে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে মেলা থেকে নানা জিনিস কেনার আনন্দ জড়িয়ে ছিল।
পুজোয় কি প্রেম হয়?
পুজো মানেই তো প্রেম প্রেম গন্ধ। পুজোয় কখনও প্রেমে পড়েছেন কি না, এই প্রশ্নে সাহেব মজার ছলে বলেন, “কথাতেই আছে অষ্টমীতে প্রথম দেখা, নবমীতে হাসি, দশমীতে বলে দেওয়া তোমায় ভালোবাসি তারপর শেষ গল্প।” অন্যদিকে, সুস্মিতা স্পষ্ট জানান, তাঁর পুজো প্রেম হয়নি কখনও আলাদা করে।