পুজোর আকর্ষণ বাড়াতে চমক! মুর্শিদাবাদের এই পুজোমণ্ডপে তিরুপতির আদলে মাতৃপ্রতিমা, তৈরি হচ্ছে গোল্ডেন মন্দির!

মুর্শিদাবাদ জেলার অন্যতম বিগ বাজেট দুর্গাপূজা হলো বিষ্ণুপুরের ‘আমরা কজন’ ক্লাবের আয়োজন। এই বছর তাদের পুজো ৩১তম বর্ষে পদার্পণ করছে এবং এবারের মূল আকর্ষণ হলো তাদের থিম ও মাতৃপ্রতিমা। ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারে তারা তৈরি করছেন একটি গোল্ডেন টেম্পল (Golden Temple)-এর আদলে প্যান্ডেল এবং প্রতিমা তৈরি হচ্ছে তিরুপতি বালাজির আদলে। হাতে আর মাত্র কয়েকটি দিন বাকি, তাই দিনরাত এক করে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
ক্লাবের সম্পাদক অমিত দত্ত জানান, বিখ্যাত মৃৎশিল্পী বাঁকা রায় প্রতি বছর তাদের প্রতিমা তৈরি করেন। এবারও তিনিই সপরিবারে এই বিশেষ প্রতিমাটি তৈরি করছেন। তিনি বলেন, “এবারের প্রতিমাতে প্রচুর মাটির কাজ থাকছে, যা এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।”
থিম ও প্রতিমা: এবারের থিম বিষ্ণুপুরের একটি মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে, যা স্বর্ণমন্দিরের রূপ ধারণ করবে। এর ভেতরে থাকবে তিরুপতি বালাজির আদলে তৈরি মাতৃপ্রতিমা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: পুজোর প্রতিটি দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। গত বছরের ধামসা মাদলের পাশাপাশি এই বছরও লোকগীতি ও অন্যান্য পরিবেশনা থাকবে।
বিসর্জন: এই পুজোর একটি বিশেষ প্রথা হলো প্রতিমা নিরঞ্জন। গঙ্গায় প্রতিমা বিসর্জন না দিয়ে তারা নিজেদের ঘাটে নিরঞ্জন করে থাকেন।
সম্পাদক অমিত দত্ত আরও বলেন, তাদের এই পুজোটি একসময় পাড়াভিত্তিক ছিল, কিন্তু এখন এটি বহরমপুর শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। কেবল বহরমপুর থেকেই নয়, আশেপাশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও দর্শনার্থীরা এই পুজো দেখতে আসেন। শহরের মাঝখানে পুজো হওয়ায় চারদিন যানজট এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।