FD Interest Rates: বাম্পার রিটার্ন! ব্যাঙ্কগুলোতে সুদের পাহাড়, দেখুন কোথায় জমা রাখলে মিলবে সবচেয়ে বেশি টাকা

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) রেপো রেট বৃদ্ধি করার পর থেকেই দেশের একাধিক বড় ও জনপ্রিয় ব্যাঙ্ক তাদের ফিক্সড ডিপোজিট (FD) বা স্থায়ী আমানতের সুদের হার এক ধাক্কায় বাড়িয়ে দিয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক—সবক্ষেত্রেই সাধারণ নাগরিক এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য আকর্ষণীয় সুদের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
যদি আপনি আপনার জমানো টাকা নিরাপদ কোনো স্থানে বিনিয়োগ করে ভালো রিটার্ন পেতে চান, তবে এটিই উপযুক্ত সময়। নভেম্বর ২০২৬-এ নতুন সুদের হার কার্যকরের পর কোন ব্যাঙ্ক কত শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে, তা বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্কে জবরদস্ত সুদের হার
ছোট বা স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্কগুলো বর্তমানে ফিক্সড ডিপোজিটে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন দিচ্ছে।
সূর্যোদয় স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (Suryoday SFB):
সাধারণ নাগরিক: ৫ বছরের মেয়াদে সর্বোচ্চ ৮.২৫% সুদ।
প্রবীণ নাগরিক: একই মেয়াদে মিলছে সর্বাধিক ৮.৬০% পর্যন্ত আকর্ষণীয় সুদ।
উৎকর্ষ স্মল ফাইন্যান্স ব্যাঙ্ক (Utkarsh SFB):
৬৬৬ দিনের বিশেষ স্কিমে সাধারণ গ্রাহকরা পাচ্ছেন ৮.১০% এবং প্রবীণ নাগরিকরা পাচ্ছেন ৮.৫০% সুদের সুবিধা।
সরকারি ও বড় বেসরকারি ব্যাঙ্কের হালহকিকত
বড় বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলোও পিছিয়ে নেই। নিজেদের আমানত বাড়াতে তারাও একাধিক মেয়াদে সুদের হার সংশোধন করেছে।
কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক (Kotak Mahindra Bank):
২ বছর থেকে ৩ বছরের কম মেয়াদের স্থায়ী আমানতে সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ৬.৮০% এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৭.৫৫% সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক (Axis Bank):
সাধারণ নাগরিকদের ২ থেকে ১০ বছরের মেয়াদে সর্বোচ্চ ৬.৬০% সুদ দেওয়া হচ্ছে।
প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১০ বছরের মেয়াদে মেয়ারে মিলছে সর্বোচ্চ ৭.৩৫% পর্যন্ত সুদ।
ক্যানারা ব্যাঙ্ক (Canara Bank):
৫৫৫ দিনের বিশেষ মেয়াদী আমানতে সাধারণ গ্রাহকদের ৬.৭৫% এবং প্রবীণ নাগরিকদের ৭.২৫% হারে সুদ প্রদান করা হচ্ছে।
এক নজরে নতুন সুদের হারের তালিকা (নভেম্বর ২০২৬):
বিনিয়োগকারীদের জন্য জরুরি পরামর্শ
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিক্সড ডিপোজিটে টাকা রাখার আগে কেবল সর্বোচ্চ সুদের হার দেখলেই চলবে না, বরং জমা রাখার মেয়াদ এবং নিজের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও বিবেচনা করা উচিত। পাশাপাশি, ব্যাঙ্কগুলোর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নিয়ম ও শর্তাবলী যাচাই করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।