২০২৯-এ কি গদি হারাচ্ছেন মোদী? জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কেরলে শোরগোল ফেললেন অভিজিৎ!

০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কি ক্ষমতা হারাতে চলেছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই এখন জাতীয় রাজনীতিতে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কেরলের কোচিতে আয়োজিত এক সুবিশাল প্রতিবাদ সভা থেকে এমনই এক বিস্ফোরক মন্তব্য এবং পূর্বাভাস দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার কেরলের কোচিতে ‘জন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় অভিজিৎ স্পষ্ট জানান, ২০২৯ সালের নির্বাচনে দেশবাসী নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করবে। তবে কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতার রদবদলই নয়, তাঁর মূল তির ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দিকে। দেশে অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের জোর দাবি তোলেন তিনি। অভিজিতের মতে, নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষ না হয়, তবে গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে পড়বে। এই বিক্ষোভ সভায় নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘এসআইআর’ (SIR) প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্র চলছে, যদিও নির্বাচন কমিশন শুরু থেকেই এই ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা, খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগও আনেন অভিজিৎ।কোচির রাজেন্দ্র ময়দানে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে একাধিক যুব ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। প্রখ্যাত অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজের নেতৃত্বে মেরিন ড্রাইভ থেকে রাজেন্দ্র ময়দান পর্যন্ত এক সুবিশাল মিছিলে অংশ নেন হাজার হাজার আন্দোলনকারী। দিল্লিতে পূর্বে গ্রেফতার হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে অভিজিৎ সাফ জানিয়ে দেন, দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় পতাকা রক্ষার এই আন্দোলন কোনও অবস্থাতেই থামবে না।