‘২০২৬ হবে শোষিত-নির্যাতিত মানুষের গর্জন!’ তৃণমূলের ‘বিদ্বেষী মনোভাব’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কড়া বার্তা সুকান্ত মজুমদারের

আসন্ন ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই নিজেদের রণনীতি সাজাচ্ছে বিজেপি। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা এবং উত্তর পূর্বাঞ্চল-উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার একটি X (টুইটার) বার্তায় আসন্ন নির্বাচনকে “বাংলার শোষিত, নির্যাতিত মানুষের গর্জন!” বলে আখ্যায়িত করেছেন।
আদিবাসী সম্প্রদায় নিয়ে আক্রমণ:
সুকান্ত মজুমদার তাঁর বার্তায় তৃণমূল কংগ্রেসকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি ‘বিদ্বেষী মনোভাব’ এবং ‘চূড়ান্ত অবমাননাকর’ আচরণের জন্য তীব্র আক্রমণ করেছেন। তিনি দু’টি বিপরীত চিত্র তুলে ধরেন:
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি: সুকান্তবাবু লেখেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দেশের আদিবাসী সম্প্রদায়কে উন্নত করতে, যাতে তাঁরা যোগ্য সম্মান, মর্যাদা ও প্রাপ্য সুযোগ পান। তিনি আদিবাসীদের ‘জাতীয় মূলধারার উন্নয়নে যুক্ত করছেন কথায় নয়, কাজে’।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল: অন্যদিকে, তিনি ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে বলেন, তারা কখনোই আদিবাসী সম্প্রদায়গুলিকে হেয় করার সুযোগ হাতছাড়া করে না। তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল বারবার অবমাননাকর মন্তব্য ও অসম্মান করে চলে, এমনকি দেশের সম্মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু মহাশয়াকে নিয়েও কদর্য এবং অশালীন কটাক্ষ করতে পিছপা হয় না।
২০২৬-এর চ্যালেঞ্জ:
সুকান্ত মজুমদার দাবি করেন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি তৃণমূলের এই বিদ্বেষী মনোভাব জনসমক্ষে সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত এবং অসহনীয়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বহুদিন ধরে এই ঔদ্ধত্য সহ্য করেছে, কিন্তু এখন ধৈর্যের সমস্ত সীমা অতিক্রম করে গেছে।
তাঁর স্পষ্ট বার্তা:
“এই নির্বাচন হবে অত্যাচারী তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষের এক দৃঢ়, অমোঘ বার্তা। আর তৃণমূল কংগ্রেস তা শুনতে বাধ্য হবেই! পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এখন প্রস্তুত, তৃণমূলের জঙ্গলরাজকে উপড়ে ফেলে দিতে।”