১৯ সেপ্টেম্বরের পরেই কি বাংলায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়? আবহাওয়ার বড় মোড় নিয়ে বড় আপডেট দিল হাওয়া অফিস!

ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তির মাঝেই ফের একবার আবহাওয়া বড় ধরণের পরিবর্তনের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বঙ্গোপসাগরে নতুন করে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার জেরে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি বাংলায় ফের কোনো বড় দুর্যোগ বা ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে? এই নিয়ে তৈরি হওয়া আতঙ্ক কাটাতে গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দিল হাওয়া অফিস।

নিম্নচাপের সম্ভাবনা ও ঘূর্ণাবর্তের গতিপ্রকৃতি:

আবহাওয়া দফতর (IMD) সূত্রে খবর, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের কাছাকাছি সময়ে আন্দামান সাগর এবং তার সংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন নিম্নচাপ এলাকা তৈরি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে এটিকে সরাসরি ঘূর্ণিঝড় বলা যাচ্ছে না। নিম্নচাপটি তৈরি হওয়ার পর তার শক্তি এবং নির্দিষ্ট গতিপথ কোন দিকে এগোয়, তার ওপরই পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে। তাই আগাম আতঙ্কিত না হয়ে আবহাওয়ার গতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। যদি এই নিম্নচাপটি শক্তিশালী হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোয়, তবে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তার প্রভাব পড়তে পারে।

দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি:

নতুন এই সিস্টেমের প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রবণতা অনেকটাই বাড়বে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের মতো উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী রবিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে এই বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের কিছু অংশেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

অন্যদিকে, দেশের পশ্চিম দিক থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পশ্চিম রাজস্থানের কিছু অংশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সরে যাওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে পূবালী হাওয়ার প্রভাবে পুজোর প্রাক্কালে বাংলার আকাশে মেঘের আনাগোনা এবং বৃষ্টিপাতই আপাতত স্বস্তি ও আশঙ্কার এক অদ্ভুত মিশ্রণ তৈরি করেছে।

Aditi Banik
  • Aditi Banik