লাড্ডু গোপালকে কোন রঙের পোশাকে সাজালে দূর হবে দারিদ্র্য? জন্মাষ্টমীতে ভুল করেও পরাবেন না এই রঙ

আসন্ন ৪ সেপ্টেম্বর পালিত হতে চলেছে মহা সমারোহে জন্মাষ্টমী। ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে এই পবিত্র দিনে ঘরে ঘরে পূজিত হন লাড্ডু গোপাল। তবে শাস্ত্র মতে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করতে এবং ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি ডেকে আনতে গোপালের পোশাকের রঙের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বাস্তু ও জ্যোতিষশাস্ত্রের নিয়ম মেনে সঠিক রঙের পোশাক বেছে নিলেই দূর হতে পারে সমস্ত আর্থিক অনটন ও দারিদ্র্য।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ‘পীতম্বরধারী’ শ্রীকৃষ্ণের সবচেয়ে প্রিয় রঙ হলো হলুদ। জ্যোতিষে হলুদ রঙকে বৃহস্পতি গ্রহ এবং গৃহের সুখ-সমৃদ্ধির কারক হিসেবে মনে করা হয়। জন্মাষ্টমীতে বাল গোপালকে হলুদ পোশাকে সাজালে বাড়িতে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার হয়, যা পারিবারিক অশান্তি ও আর্থিক সংকট দূর করতে সাহায্য করে। যদি হলুদ পোশাকের বিকল্প খুঁজতে হয়, তবে সবুজ বা লাল রঙের পোশাকও বেছে নিতে পারেন। সবুজ রঙ পারিবারিক উন্নতি এবং লাল রঙ উৎসাহ ও সৌভাগ্যের প্রতীক, যা পরিবারের সদস্যদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে।
অন্যদিকে, মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সাদা কিংবা গোলাপী রঙের রেশমি পোশাকেও সাজাতে পারেন লাড্ডু গোপালকে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, জন্মাষ্টমীর মতো পবিত্র উৎসবে গোপালকে কখনই কালো, গাঢ় নীল কিংবা ধূসর রঙের পোশাক পরাবেন না। সনাতন ধর্মে এই ধরনের গাঢ় রঙ অশুভ এবং নেতিবাচক শক্তির প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। পোশাকের পাশাপাশি মুকুটে ময়ূরের পালক, ছোট বাঁশি, বৈজয়ন্তীর মালা এবং চন্দনের তিলক দিয়ে সাজিয়ে তুললে তবেই গোপালের রূপ পূর্ণতা পায়। মধ্যরাতে পঞ্চামৃতে স্নান করিয়ে নতুন পোশাকে সাজিয়ে ভক্তিভরে পুজো করলেই মিলে থাকে শ্রীকৃষ্ণের আশীর্বাদ।