মোদির স্বপ্নের প্রকল্প এনে দিয়েছে বিরাট সুযোগ! বারাণসীর অর্থনৈতিক বুম দেখে চোখ কপালে উঠছে ব্যবসায়ীদের

২০১৪ সালে কাশী বিশ্বনাথ করিডোর নির্মাণের পর থেকেই উত্তরপ্রদেশের প্রাচীন ও আধ্যাত্মিক শহর বারাসীতে ধর্মীয় পর্যটনে এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক গতি এসেছে। সরকারি পরিসংখ্যান এবং পর্যটন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সাল থেকে শুরু করে চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত দীর্ঘ এই সময়ে বারাণসীতে আগত দেশি-বিদেশি পর্যটক ও ভক্তদের সংখ্যা ৫২ কোটির গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে। স্থানীয় ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস্ ব্যবসা এবং হোটেল মালিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, করিডোর প্রকল্প রূপায়ণের পর থেকে পর্যটকদের রেকর্ড ভিড়ের কারণে হোটেল বুকিং, পরিবহন ব্যবস্থা এবং স্থানীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ব্যবসার পরিমাণ বহু গুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, বারাণসীতে এসে পর্যটকরা এখন আর শুধুমাত্র কাশী বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন না, বরং সেখান থেকে খুব সহজেই অযোধ্যা ও প্রয়াগরাজের মতো অন্যান্য প্রধান ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক তীর্থক্ষেত্রগুলিতেও নিয়মিত যাতায়াত করছেন।
এর সরাসরি এবং সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বারাণসী সহ সংলগ্ন গোটা উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ ও শহরভিত্তিক আঞ্চলিক অর্থনীতিতে। পর্যটকদের এই লাগাতার জোয়ারের ফলে হোটেল, হোম-স্টে, গাইড পরিষেবা, স্থানীয় হস্তশিল্প ও পরিবহন ক্ষেত্রে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা এলাকার বেকারত্ব দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাফিক ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে পরিবহন সেক্টর নিজেই হাজার হাজার তরুণের কর্মসংস্থানের বড় হাব হয়ে উঠেছে। অতীতে বারাণসী কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে তা উত্তর ভারতের ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী ও আধুনিক অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ডেইলিহন্ট-এর পাঠকদের জন্য এই বিশাল অর্থনৈতিক ও পর্যটন বিপ্লবের রুটিন আপডেট সবার আগে তুলে ধরা হচ্ছে।