মুন্না ভাইয়াই আসলে ক্ষমতায় আছেন! লখনউয়ের রাস্তায় দিব্যেন্দুর সাথে বাস্তবে কী ঘটেছিল?

ত্রিপাঠীর চরিত্রটির মর্মান্তিক পরিণতি ঘটলেও, দর্শকদের বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখে নির্মাতারা বড় পর্দায় তাকে ফিরিয়ে এনেছেন। আর এই ছবির প্রচারের মাঝেই অভিনেতা দিব্যেন্দু শর্মা নিজের জীবনের এক দারুণ মজার ও অবাক করা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যা শুনে রীতিমতো হাসির রোল উঠেছে নেটদুনিয়ায়।

সম্প্রতি নেহা ধুপিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন দিব্যেন্দু শর্মা। সেখানে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন কমেডিয়ান অনুভব বাসি এবং অঙ্গদ বেদিও। সেই আলাপচারিতাতেই লখনউয়ের শুটিংয়ের একটি বিশেষ ঘটনার কথা জানান অভিনেতা। দিব্যেন্দুর কথায়, সাধারণ মানুষ অনেক সময়ই পর্দার চরিত্রগুলোকে বাস্তব জীবন বলে ভুল করেন এবং মনে করেন তাঁরা সত্যি কোনো সমান্তরাল জগতে বাস করেন।

ঘটনাটি বর্ণনা করতে গিয়ে দিব্যেন্দু জানান, তিনি যখন লখনউতে শুটিং করছিলেন, তখন হোটেল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে একটি ট্রাফিক ব্যারিকেড ছিল। শুটিং শেষে হোটেলে ফেরার পথে ট্রাফিক কন্ট্রোলার তাঁর ড্রাইভারকে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে বলেন। ড্রাইভার বারবার অনুরোধ করলেও ওই কর্মী কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। এরপর পরিস্থিতি সামলাতে দিব্যেন্দু নিজে গাড়ির কাঁচ নামান।

অভিনেতা শুধু মুখের সামান্য কথা বলতেই সেই ট্রাফিক কর্মী যেন পলকে চমকে যান! দিব্যেন্দুকে দেখা মাত্রই ওই কন্ট্রোলার কোনো রাখঢাক না করে উল্টে বলে ওঠেন, “আরে মুন্না ত্রিপাঠি এসেছেন, তাড়াতাড়ি দরজা খুলুন, গাড়ি ছাড়ুন!” মুহূর্তের মধ্যে ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করে দিব্যেন্দু জানান, তিনি নিজেও এমন আকস্মিক আচরণে বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। শোয়ে উপস্থিত বাকি তারকারাও এই গল্প শুনে হেসে কুটিপাটি হন।

উল্লেখ্য, গুরমিত সিং পরিচালিত ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’ গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। সিরিজে মুন্না ভাইয়ার সেই বিখ্যাত উগ্র মেজাজ ও জনপ্রিয় সংলাপ আজও দর্শকদের মনে গেঁথে রয়েছে। বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার পর বক্স কালেকশনেও দারুণ সাফল্য পাচ্ছে ছবিটি। মুক্তির মাত্র আট দিনের মধ্যেই ভারতে প্রায় ১৫৭.৯৫ কোটি টাকার নেট সংগ্রহ করেছে এই ছবি এবং বিশ্বব্যাপী এর মোট আয় ছাড়িয়ে গেছে ২২৬.১৯ কোটি টাকা।