মহালয়ার সকালেই দৃশ্যমানতা তলানিতে! দেবীপক্ষের পুণ্যলগ্নে দুর্গাপুরে হঠাৎ এমন আবহাওয়া কেন?

মহালয়ার পুণ্যলগ্নে পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষের। কিন্তু মহালয়ার এই আনন্দঘন ভোরে শিল্পশহর দুর্গাপুরের আবহাওয়ায় দেখা গেল এক অন্য ও অপ্রত্যাশিত ছবি। শনিবার সকালে হঠাৎই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় দুর্গাপুর ও তার পার্শ্ববর্তী কাঁকসা এলাকা। দেবীপক্ষের সূচনার দিনেই এমন শীতকালীন আবহাওয়া দেখে হতবাক স্থানীয় বাসিন্দারা।

সকালের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব এত বেশি ছিল যে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে যায়। এর ফলে জাতীয় সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে গাড়ি এবং বাইক চালকদের চরম সমস্যার মুখে পড়তে হয়। হেডলাইট জ্বালিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধীরগতিতে চলাচল করতে বাধ্য হয় যানবাহনগুলি।

শরতের প্রথম লগ্ন থেকেই দুর্গাপুরজুড়ে সকাল ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা আমেজ ও শীতল হাওয়া অনুভূত হচ্ছিল। তবে মহালয়ার সকালে হঠাৎ এই ঘন কুয়াশার প্রাদুর্ভাব স্পষ্টতই শীতের আগাম বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। পশ্চিম বর্ধমান জেলাজুড়ে এখন থেকেই শীতের পূর্বাভাস মিলতে শুরু করেছে। যদিও আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির তেমন কোনো আশঙ্কা নেই। ফলস্বরূপ, উৎসবের আনন্দ মাটি হওয়ার কোনো ভয় না থাকলেও, সূর্যাস্তের পর থেকেই ঠান্ডা আবহাওয়া উপভোগ করছেন সাধারণ মানুষ। সবমিলিয়ে, মহালয়ার ভোরে আগমনীর সুরের সঙ্গে কুয়াশার চাদর জড়িয়ে এক রোমাঞ্চকর আবহাওয়া তৈরি হয়েছে দুর্গাপুরে।