মঙ্গলে মেগা ফাইট নন্দীগ্রামে! রাত পোহালেই ভোট, কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া শুভেন্দুর গড়ে মোতায়েন ৩৭ কোম্পানি বাহিনী

রাত পোহালেই মহারণ। রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও হাই-প্রোফাইল কেন্দ্র নন্দীগ্রামে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। আগামীকাল মঙ্গলের এই ভোটকে ঘিরে শুধু প্রার্থীরাই নন, রাজনৈতিক মহলেরও নজর রয়েছে এই কেন্দ্রের সমীকরণের দিকে। ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে করতে গোটা নন্দীগ্রাম চত্বরকে একেবারে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন।

কড়া নিরাপত্তার চাদরে নন্দীগ্রাম: প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ৩২৩টি বুথেই থাকছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মোট ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলা সামলাতে থাকবেন প্রায় ৭০০ জন রাজ্য পুলিশকর্মী। মোট ২ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪১৯ জন ভোটারের এই কেন্দ্রে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে শুরু হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ এবং তল্লাশি অভিযান। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেও বিভিন্ন চেকপোস্টে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে হঠাৎ আইসি বদল: নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে নন্দীগ্রামে এক চাঞ্চল্যকর প্রশাসনিক পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগেই নন্দীগ্রামের আইসি অজয়কুমার মিশ্রকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় নতুন দায়িত্বে আনা হয়েছে দেবাশিস সরকারকে। ভোটের এত কাছাকাছি এসে এই ধরনের রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। যদিও এই পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে কমিশন বা জেলা প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

সব মিলিয়ে, কড়া নিরাপত্তা ও চরম রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গলবারের এই উপনির্বাচন যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য!