ভোট গণনার মাঝেই ‘ঘুমাতে যাচ্ছি’! রেজিনগরে বিস্ফোরক মন্তব্য ডেমোক্রেটিক তৃণমূল প্রার্থীর

টানটান উত্তেজনার মধ্যেই গত ৬ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটের পর্ব মিটতেই ইভিএমের (EVM) গণনা শুরু হতেই দুই কেন্দ্রেই ভোটের হাওয়া জোরালো হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে জোড়াফুল প্রতীক কার, সেই নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল বনাম ঋতব্রত তৃণমূলের আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে ছাব্বিশের এই উপনির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য। ভোটের ফল প্রকাশের দিনে উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করতেই নিউজ 18 বাংলার ক্যামেরা পৌঁছে গিয়েছিল রেজিনগরের বহরমপুর গার্লস কলেজের গণনা কেন্দ্রে। সেখানে প্রথম রাউন্ডের গণনার পরই বেরিয়ে আসেন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্লান্ত গলায় তিনি বলেন, “যাই ঘুমাতে যাই। কাল সারারাত ঘুম হয়নি। আর আমার এখানে এখন কাজ নেই, রেস্ট নিতে চাই।” ঘুম ভেঙে আবার আসার প্রশ্ন করা হলে তাঁর রহস্যময় মন্তব্য, “ঘুম ভেঙে আসার প্রয়োজনীয়তা হবে বলে মনে হয় না। তবে অনেক সময় ঘুমোতে যেতে হয় না, ঘুম পাড়ানো হয়। ধরে নিন সেটাই হল।” অন্যদিকে, ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন কংগ্রেস প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি। তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, “ক্যালকুলেটিভ রিগিং হয়েছে। সব বুথেই বিজেপি এগিয়ে। সব টেবিলের তলায় খেলা। ভিতরে থেকে আর কী করব, তাই বাইরেই থাকি।”তবে বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারকে। প্রাথমিক রাউন্ডে প্রায় ৬ হাজার এবং পরবর্তীতে ব্যবধান আরও বাড়তে থাকায় বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা যায় তাঁকে। গণনাকেন্দ্রের বাইরে এসে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার জানান, তিনিও একটু রিল্যাক্স করতেই বাইরে বেরিয়েছেন। সবমিলিয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেজিনগর উপনির্বাচনের ভোট গণনার কেন্দ্র চত্বরের নাটকীয়তা চরমে পৌঁছেছে।