ভারেস্টে মিলল রহস্যময় পদচিহ্ন, কোটি মানুষের বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বিজ্ঞানীরা পেলেন কোন অবাক করা তথ্য?

তুষারমানব ইয়েতির রহস্যময় অস্তিত্ব গত কয়েক দশক ধরে বিশ্বজুড়ে মানুষকে প্রবলভাবে মুগ্ধ করে রেখেছে। ১৯৫১ সালে মাউন্ট এভারেস্টের পাদদেশে আবিষ্কৃত কিছু রহস্যময় বড় আকারের পদচিহ্ন এই রোমাঞ্চকর কল্পকথাকে রাতারাতি বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত করে তুলেছিল। পরবর্তীতে তুষারমানবের সন্ধানে বহু অভিযাত্রী বরফে ঢাকা হিমালয়ের দুর্গম অঞ্চলে পাড়ি জমিয়েছেন এবং ইয়েতির সাথে সম্পর্কিত নানা অদ্ভুত চুল, হাড় ও অন্যান্য দেহাবশেষের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষণাগারে পরীক্ষা করেছেন। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ও ডিএনএ গবেষণার সামনে এই সমস্ত কল্পকাহিনি টিকতে পারেনি। ২০১৭ সালে পরিচালিত একটি বহুল আলোচিত ডিএনএ পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ইয়েতির নামে সংগৃহীত কথিত নমুনাগুলোর প্রায় সবই আসলে হিমালয়ান ভালুক, বাদামী ভালুক কিংবা সাধারণ কুকুরের ডিএনএ-র সাথে মিলে যায়। শুধু এশিয়াতেই নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ‘বিগফুট’ বা ওয়াসকুয়াচ সংক্রান্ত অনুরূপ দাবিগুলো আজও বৈজ্ঞানিকভাবে কোনো প্রমাণ অর্জন করতে পারেনি। বর্তমান যুগে বিজ্ঞানের কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাছে ইয়েতির অস্তিত্বের সপক্ষে কোনো অকাট্য বা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। তা সত্ত্বেও, মানুষের মনে হিমালয়ের বরফে ঢাকা গুহায় এক রহস্যময় তুষারমানবের লুকিয়ে থাকার কল্পনা ও রোমাঞ্চ আজও অটুট রয়েছে। ডেইলিয়ান্ট-এর পাঠকদের জন্য এই রহস্যের গভীরে লুকিয়ে থাকা বৈজ্ঞানিক সত্য ও মিথের নিখুঁত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো।