‘প্রমাণ ছাড়াই ভোট চুরির ভুয়া অভিযোগ!’ নির্বাচন কমিশন তোলপাড় হতেই ময়দানে ৪২ জন প্রাক্তন বিচারপতি

দেশের রাজনৈতিক জলঘোলা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে চলমান তীব্র বিতর্কের মধ্যেই এক অভূতপূর্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন সুপ্রিম কোর্ট ও দেশের বিভিন্ন হাইকোর্টের ৪২ জন প্রাক্তন বিচারপতি। কোনো প্রকার সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ ছাড়াই নির্বাচন কমিশন এবং দেশের বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করাকে অত্যন্ত ‘বিপজ্জনক’ প্রবণতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে যৌথভাবে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন তাঁরা।

নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা নিয়ে বিস্ফোরক পর্যবেক্ষণ

চিঠিতে বিভিন্ন মানবাধিকার রক্ষা ও তথাকথিত অ্যাক্টিভিস্ট সংগঠনগুলোর ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতিরা যৌথভাবে দাবি করেছেন, দেশের একটি নির্দিষ্ট স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে একে পর এক ভিত্তিহীন পিটিশন আদালতে দাখিল করে চলেছে। কিন্তু শুনানির সময় সেই দাবির পক্ষে কোনো গঠনমূলক বা সঠিক প্রমাণ পেশ করতে পারছে না।

বিচারবিভাগকে নিশানা করার তীব্র নিন্দা

প্রাক্তন বিচারকদের আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, যখনই মামলার রায় এই সমস্ত গোষ্ঠী বা ব্যক্তিদের নিজেদের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থের পক্ষে না যায়, তখনই দেশের স্বাধীন বিচারবিভাগকে সরাসরি নিশানা করে কদর্য বিষোদ্গার ছড়ানো শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়া ও সাধারণ মাধ্যমে এই ধরনের অপপ্রচার চালানোর একমাত্র মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের যে গভীর আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে, তা ধুলিস্যাৎ করে দেওয়া।

দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর সুরক্ষায় এ ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ ও আইনি প্রক্রিয়ার অপব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করার আর্জি জানিয়েছেন ওই প্রাক্তন বিচারপতিরা।