প্রধান বিচারপতির কড়া না! রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করার আর্জি খারিজ হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল

ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিশেষ নিবিড় পুনর্বীড়ন (এসআইআর), ‘ভোট চোরি’র অভিযোগ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির (সিজেআই) সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। কিন্তু সিজেআই সূর্যকান্ত সেই সাক্ষাতের সময় দিতে স্পষ্ট অস্বীকার করেছেন। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যে বিষয়গুলো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক স্তরে কোনো নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দলগুলিকে এর জন্য যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া বা রিট পিটিশন দাখিল করতে হবে।

সিজেআইয়ের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বিরোধী দলগুলি যেখানে নির্বাচন কমিশনের কার্যকারিতা ও ভোটার তালিকার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছেও ডেপুটেশন জমা দিয়েছে, ঠিক তখনই আদালতের এই কঠোর অবস্থান সামনে এল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক স্বার্থে বা সরাসরি চাপের মুখে ব্যবহার করার প্রবণতা গণতন্ত্রের সুস্থ লক্ষণ নয়। সিজেআইয়ের এই পদক্ষেপ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক সুদৃঢ় বার্তা দিয়েছে।