পুজোর মাঝেই ঘোরতর বিষাদ! স্ত্রীকে খুন করে ‘আত্মঘাতী’ স্বামী, সিলিং ফ্যান থেকে উদ্ধার দেহ

যখন গোটা বাংলা দুর্গাপূজার আনন্দে মেতে উঠেছে, ঠিক সেই সময়েই গুরুগ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলার এক তরুণী। পুলিশ সূত্রে খবর, গুরুগ্রামের একটি আবাসনে ওই তরুণীকে খুন করে তাঁর স্বামী আত্মঘাতী হয়েছেন।
ঘটনাটি গত মঙ্গলবারের হলেও, এই মৃত্যু ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। মৃত তরুণীর নাম সুইটি শর্মা (২৮), তিনি আসানসোলের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর স্বামী অভিযুক্ত অজয় কুমার (৩০) উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা। এই দম্পতি তিন বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং দু’জনেই গুরুগ্রামের একটি আইটি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন।
ভিডিও বার্তার পর মর্মান্তিক পরিণতি:
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার দুপুর ৩টে ১৫ মিনিটে অভিযুক্ত অজয় কুমার তাঁর বন্ধুদের একটি ভিডিও বার্তায় জানান যে তিনি আত্মহত্যা করতে চলেছেন। তাঁর বন্ধুদের দাবি, ভিডিওতে অজয় স্বীকার করেছেন যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র ঝগড়া হয়েছিল। এর পরেই বন্ধুরা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ তাদের আবাসনে পৌঁছে দেখতে পায়, সুইটি শর্মার দেহ মাটিতে পড়ে এবং দেহে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, অজয়ের দেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে দু’জনের দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
খুনের মামলা দায়ের:
প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, সুইটিকে খুন করার পরই অজয় আত্মঘাতী হয়েছেন। কেন তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল এবং কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সুইটির পরিবারের সদস্যরা অজয়ের বিরুদ্ধে থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ আসানসোলের পরিবার।