নন্দীগ্রামে ভোটের লাইনে চরম উত্তেজনা! ভোটার স্লিপ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল কার বিরুদ্ধে?

ভোটের দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রাম। ভোটগ্রহণ চলাকালীন সুভানি চক এলাকায় ভোটার স্লিপ কেড়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। একাধিক মহিলা ভোটার ভোট না দিয়েই কেন্দ্র থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন বলে অভিযোগ। ভুক্তভোগী নারীদের স্পষ্ট দাবি, বুথের বাইরে তাঁদের থেকে জোরপূর্বক ভোটার স্লিপ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ভোট দিতে না দিয়ে বাড়িতে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক ক্ষুব্ধ মহিলা আক্ষেপের সুরে জানান, “আমার স্লিপ নিয়ে নিয়েছে। বিজেপির লোকজন এই কাজ করছে। তাই ভোট দিতে পারিনি।”
এদিকে এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ভোট প্রক্রিয়ায় বড়সড় অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের নির্বাচনী এজেন্ট সুব্রত মহাপাত্র। তাঁর অভিযোগ, ভেড়ুতিয়া এলাকার ২৮ ও ২৯ নম্বর বুথে ভোটারদের জোর করে সরিয়ে দিয়ে তাঁদের জায়গায় বহিরাগতদের দিয়ে ভোট দেওয়ানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ভেড়ুতিয়ার ৯৬ নম্বর বুথে প্রকৃত ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া এবং আমদাবাদ-২ অঞ্চলের কামালপুরের ১৬৭ নম্বর বুথে ভোটারদের রাস্তায় আটকে রাখার মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে।
অন্যদিকে, এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আইনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিছু নিয়ম পুলিশকে মানতে হয়। আধা সামরিক বাহিনী থাকছে। বাংলায় তো কংগ্রেস প্রতিযোগিতায় নেই। কংগ্রেস খায় না মাথায় দেয়? হাওয়া গরমের জন্য করছে।” সবমিলিয়ে ভোটের দিন নন্দীগ্রামের বিভিন্ন বুথে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়েছে চরমে।