ঠাকুমার মৃত্যুর খবর গোপনের ভিডিও কি সাজানো? দিল্লি পুলিশের দাবি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন CJP প্রধান অভিজিৎ দীপকে!

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পান এবং বাড়ি ফেরার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন—দিল্লি পুলিশের এমন দাবি ও একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক চরম আকার ধারণ করেছে। পুলিশের এই দাবির বিরুদ্ধে রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার হয়ে কড়া জবাব দিয়েছেন স্বয়ং অভিজিৎ।
অভিজিতের সরাসরি অভিযোগ, ঠাকুমার প্রয়াণের খবর পাওয়ার পর তিনি কেবল তাঁর তুতো ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য নিজের ফোনটি চেয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাঁকে আইনজীবী বা পরিবারের সঙ্গে কথা বলার কোনো সুযোগই দেয়নি। রবিবার এক্স (X) হ্যান্ডেলে একের পর এক পোস্ট করে তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে লেখেন, “আমি শুধু আমার তুতো ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম যে আমার ঠাকুমার সঙ্গেই থাকত। কিন্তু দিল্লি পুলিশ আমাকে আমার ফোন ব্যবহার করতে দেয়নি, এমনকি আইনজীবীর সঙ্গেও কথা বলতে দেওয়া হয়নি।”
এর আগে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডিসিপি তথা পিআরও নেহা যাদব দাবি করেন যে, ঠাকুমার প্রয়াণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ আধিকারিকরা অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তাঁকে বিমান, ফোন কল ও বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের সমস্ত সম্ভাব্য সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু অভিজিৎ নিজে থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করেন।
পুলিশের এই দাবিকে তীব্র আক্রমণ করে অভিজিৎ আরও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন যে, “রাত সাড়ে তিনটে সময দিল্লি পুলিশ আমাকে আমার বাবাকে ফোন করে জানাতে বলেছিল যে কাল থেকে আমি দীর্ঘদিনের জন্য জেলে যাচ্ছি। যে বাবা সবেমাত্র নিজের মাকে হারিয়েছেন, তাঁকে রাত সাড়ে তিনটেয় এমন কথা বলতে বলা হয়েছিল।” দিল্লি পুলিশের প্রকাশ করা ভিডিও এবং পরিবারের পালটা অভিযোগে এই গোটা ঘটনাটি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।