টিকিট নেই! অথচ অন্যেরা কেটে নিচ্ছে? রিজার্ভেশন কাউন্টারে RPF-এর কড়া নজরদারি, কী বলছে রেল কর্তৃপক্ষ?

প্রকৃত যাত্রীদের ন্যায্য মূল্যে টিকিট প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এবং টিকিট দালালচক্রের দৌরাত্ম্য রুখতে পূর্ব রেলওয়ে (Eastern Railway) তাদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। দালালদের কার্যকলাপ দমনে RPF (Railway Protection Force) বিশেষ অভিযান “অপারেশন উপলব্ধ” শুরু করেছে, যার অধীনে পূর্ব রেলওয়ের সমস্ত বিভাগে চলছে নিবিড় নজরদারি এবং কার্যকর প্রয়োগমূলক পদক্ষেপ।সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ৩১ অক্টোবর ২০২৫ সালের মধ্যে RPF এই অভিযানে ১৩৭টি মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং মোট ১৫০ জনকে গ্রেফতার করেছে।বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান নিম্নরূপ:বিভাগনথিভুক্ত মামলাগ্রেফতারশিয়ালদহ৮০৮১হাওড়া৩৭৪৮মালদহ৭৬আসানসোল১৩১৫দালাল নেটওয়ার্কের কার্যকলাপ সনাক্ত করতে RPF দলগুলি সক্রিয়ভাবে সাইবার মনিটরিং সরঞ্জাম, ডিজিটাল বিশ্লেষণ এবং ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করছে। রিজার্ভেশন কাউন্টার, সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রতিরোধমূলক চেকিংয়ের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে।রেল আধিকারিকদের মতে, বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রীদের অভিযোগ আসছিল যে কাউন্টারে লাইনে দাঁড়ানোর পরেও বলা হচ্ছে টিকিট নেই, অথচ অন্য কেউ এসে টিকিট কেটে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের ধারণা, এর পিছনে একটি বড়সড় দালাল চক্র কাজ করছে। ভারতীয় রেল টিকিট বুকিং ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনলেও অভিযোগ আসা বন্ধ হয়নি।পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক দীপ্তিময় দত্ত যাত্রীদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, “কেবলমাত্র IRCTC বা PRS কাউন্টারের মতো অনুমোদিত উৎস থেকেই টিকিট বুক করুন। যে কোনো সন্দেহজনক টিকিটিং কার্যকলাপ সম্পর্কে নিকটতম RPF পোস্টে বা অফিসিয়াল রেলওয়ে হেল্পলাইনে রিপোর্ট করুন।”